পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যার অভিযোগ
খুলনা প্রতিনিধিঃ খুলনায় কর্মরত আর্মড (এপিবিএন) পুলিশের নায়েক মাহমুদ আলমের বিরুদ্ধে স্ত্রী জোয়ানা আকতার উষাকে মারপিট ও শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর মাহমুদ আলমকে আটক করেছে মহানগরীর খানজাহান আলী থানা পুলিশ।শনিবার দুপুর ২টায় জোয়ানা আকতার উষাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, হাসপাতালে আনার আগেই উষা মারা গেছেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে শুক্রবার রাতে মাহমুদ আলম তার স্ত্রী জোয়ানা আকতার উষাকে (২০) মারধরের এক পর্যায়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।শনিবার ভোরে তিনি বাইরে থেকে ঘরের দরজা বন্ধ করে পালিয়ে চলে যান। দুপুরের দিকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন খোঁজখবর নিতে গিয়ে ঘরে উষাকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। দুপুর ২টার দিকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নায়েক মাহমুদ আলম খুলনার শিরোমনি এপিবিএনে কর্মরত। ৫ মাস আগে তাদের বিয়ে হয়। শুক্রবার রাতে সেমাই খাওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে মাহমুদ আলম উষার গলায় কামড় দেয়। এতে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন। নিহত উষার গলায় কামড়ের চিহ্ন রয়েছে।মাহমুদ আলম ও তার স্ত্রীর বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায়।
খানজাহান আলী থানার (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, বাদামতলা এলাকার মনিরুল ইসলামের ভাড়া বাসায় থাকতেন মাহমুদ ও তার স্ত্রী। নিহত উষার গলায় কামড় ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।ওসি জানান, হত্যার কারণ খুঁজে বের করতে মরদেহের ময়না তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নায়েক মাহমুদকে আটক করা হয়েছে।




