প্রবাসীদের জন্য বিনিয়োগের সেরা সময় এখনই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন এমপি বলেছেন, দিস ইজ দ্যা বেস্ট টাইম ফর ইনভেস্টমেন্ট। কারণ শেখ হাসিনা যতদিন ক্ষমতায় আছেন ততদিন প্রবাসীদের বিনিয়োগের সর্বোত্তম স্থান হচ্ছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মঙ্গল চান, উন্নয়ন চান ও প্রবাসী বিনিয়োগ চান। তাই এখনই সময় বাংলাদেশে বিনিয়োগের।পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের মহাসড়কে আমাদের বহুমুখী বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমাদের আইন-কানুন পরিবর্তন করে হলেও প্রবাসীদের বিনিয়োগের বাঁধা দূর করতে হবে।শনিবার সন্ধ্যায় বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে প্রবাসী বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র উদ্যোগে “বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে প্রবাসী বিনিয়োগ : একটি সামগ্রিক পর্যালোচনা” শীর্ষক গবেষণাপত্রের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সিলেট চেম্বারের কনফারেন্স হলে মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান হাফিজ আহমদ মজুমদার এমপি, আরটিএম ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান ড. আহমদ আল কবির, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিছবাহ উদ্দিন সিরাজ।পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রবাসী বিনিয়োগ বিষয়ক গবেষণাপত্র তৈরীর উদ্যোগ নেয়ায় সিলেট চেম্বারের ভূঁয়সী প্রশংসা করেন। তিনি সিলেটে বিভিন্ন ইকোনমিক জোনে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের জড়িত করার উদ্যোগ নেয়ার জন্য চেম্বারের প্রতি আহবান জানান।
তিনি বলেন, সিলেট চেম্বার উদ্যোগী হলে এই অঞ্চলে প্রবাসী উদ্যোক্তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগে উৎসাহিত হবে। তিনি গবেষণাপত্র তৈরীতে সংশ্লিষ্টদেরকে ধন্যবাদ জানান এবং আশা প্রকাশ করেন এই গবেষণাপত্রের ভিত্তিতে লাভজনক বিনিয়োগে প্রবাসীরা দিকনির্দেশনা পাবেন।সভাপতির বক্তব্যে সিলেট চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ সিলেটের সাথে চট্টগ্রাম এবং ঢাকার রেল যোগাযোগ আরো উন্নত, রেলে এসি কোচ চালু ও ব্রডগেজে রূপান্তর এবং গোয়াইনঘাট স্পেশাল ইকোনমিক জোন চালুর আহবান জানান।সভায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সিলেট চেম্বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদ আহমদ চৌধুরী।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রাক্তন সংসদ সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. ইশফাকুল হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের জিএম জীবন কৃষ্ণ রায়, ডিজিএম শামীমা নার্গিস, সিলেট সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মুহাম্মদ হায়াতুল ইসলাম আকঞ্জি, স্কলার্স হোমের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দিকী (অব.) প্রমুখ।এছাড়াও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, বিনিয়োগকারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সিলেট চেম্বারের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




