বনানীর এফআর টাওয়ারের ৫টি অবৈধ তলায় থাকতেন যারা
নিউজ ডেস্ক।। বনানীতে এফআর টাওয়ারের ১৮ তলা পর্যন্ত নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিল রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। কিন্তু অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয় অতিরিক্ত ৫ তলা। অবৈধ এই ৫ তলার ১৯ তলাতে অফিস ছিল ‘আমার আউট সোর্সিং লিমিটেড’ এবং ২০ হতে ২৩ এই চার তলায় অফিস ছিল ‘কাশেস গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড’এর।
জানা যায়, কাশেম গ্রুপ তাদের নিজস্ব ৪টি ফ্লোরেই অফিস পরিচালনা করতো। কোম্পানিটির চেয়ারম্যান একেএম তাসভির উল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। ২০০০ সালের পর বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকা কালে তিনি এই ভবনটিকে অবৈধভাবে ২৩ তলায় উন্নীত করেন।
রাজউক’র তথ্য মতে, এফআর টাওয়ার নির্মাতা প্রতিষ্টানের কাছ থেকে অবৈধ ২০ ও ২১ তলা ক্রয় করে জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মাইদুল ইসলাম। পরে একেএম তাসভির উল ইসলাম নিজ ভাই মাইদুল ইসলামের কাছ থেকে ফ্লোর দুটি পুনরায় ক্রয় করে। তারপর তিনি অবৈধভাবে ছাদের উপরে আরো দুটি ফ্লোর নির্মাণ করেন।
এ বিষয়ে রাজউক চেয়ারম্যান আবদুর রহমান গণমাধ্যমের কাছে বলেন, ‘আমরা এফআর টাওয়ারের ফাইল দেখেছি। ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর এই ভবনটির নকশা অনুমোদন দেয়া হয়। তাতে ১৮ তলা ভবন হিসেবে অনুমোদন দেয়া। কিন্তু এখন দেখছি ভবনটি ২৩ তলা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে। ভবনটি নির্মাণের সময় নকশার আরো অনেক বিচ্যুতি ঘটানো হয়েছে। এই নির্মাণকাজের সঙ্গে যারা জড়িত ছিল, তাদের খোঁজা হচ্ছে।’
এ প্রসঙ্গে বাংলা’র পক্ষ হতে কথা বলার জন্য কাশেস গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের চেয়ারম্যান একেএম তাসভির উল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিফ হয়নি। তবে ভবনটির অবৈধভাবে নির্মিত ১৯ তম তলায় অবস্থিত ‘আমার আউটসোর্সিং লিমিটেড’এর ফ্লোরটি নিজস্ব কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উৎস: বাংলারিপোর্ট।




