283969

বাঁচার আকুতি জানিয়েছিলেন মোস্তাফিজার

রাজধানীর বনানীতে এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের একজন রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ইউনিয়নের কাংগুরপাড়া গ্রামে মোস্তাফিজার রহমান। শুক্রবার বাদ জুমা জানাজার শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মুস্তাফিজারের দাফন সম্পন্ন করা হয়।সাত ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে মোস্তাফিজার ছিলেন অষ্টম। ৫ বছর বয়সী এক মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে মতিঝিলের টিকাতলীতে বসবাস করছিলেন তিনি।

এফ আর টাওয়ারের অষ্টম তলায় একটি প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরি করতেন মোস্তাফিজার। গতকাল বৃহস্পতিবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দুপুর সোয়া ১টার দিকে তার ছোট ভাই প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক ও দুই বোন ফাহিমা এবং রহিমাকে ফোন করে বাঁচার আকুতি জানিয়েছিলেন মোস্তাফিজার। আজ শুক্রবার সকালে মোস্তাফিজারের বড় ভাই শহিদুল ইসলাম মুঠোফোনে এ তথ্য জানান। তারা সবাই ঢাকায় থাকেন।

শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এরপর তার ফোন বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে এফ আর টাওয়ারে গিয়ে তার কোনো খবর পাইনি। পরে সেনাবাহীনির অবসরপ্রাপ্ত সদস্য বড় ভাই সিরাজুল ইসলামের মাধ্যমে খবর পেয়ে রাতে সিএমএইচে গিয়ে মোস্তাফিজারের মরদেহ শনাক্ত করা হয়। ’আজ বাদ জুমা মোস্তাফিজারের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। সেখানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।গতকাল দুপুরে বনানীর এফ আর টাওয়ারে লাগা আগুনে এখন পর্যন্ত ২৫ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ২৪ জনের লাশ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ad

পাঠকের মতামত