কড়া বাঁধা হাতেও ‘বর্ণবাদী প্রতীক’ দেখালেন মসজিদে হামলাকারী
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদে হামলাকারী যুবককে যখন হত্যার অভিযোগে আদালতে হাজির করা হয়েছিল, তখন তার হাত দুটি হাতকড়ায় বাঁধা ছিল। কিন্তু এরপরেও তিনি নিজের বর্ণবাদী বিশ্বাসের প্রতীক দেখিয়েছেন।শুক্রবারের জুমার নামাজের সময় ব্রেন্টন ট্যারেন্ট নামের এই শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসীর হামলায় ৪৯ মুসল্লি নিহত হয়েছেন। যার মধ্যে তিন বাংলাদেশিও রয়েছেন।
আদালতে হাজির করা হলেও তার মুখে ছিল আত্মতৃপ্তির হাসি। পরনে ছিল বন্দিদের সাদা পোশাক, হাতে হাতকড়া।বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এ সময় তিনি ক্যামেরার সামনে হ্যান্ডকাফ পরা হাতের আঙুল দিয়ে শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদের প্রতীক দেখিয়েছেন।শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠবাদ- একটি বর্ণবাদী ধারণা। যারা এই মতবাদে বিশ্বাস করেন, তারা বলছেন- অন্য বর্ণের মানুষের তুলনায় তারাই শ্রেষ্ঠ।
আঙুলের মাধ্যমে বিশেষ চিহ্ন তৈরি করে তারা এই প্রতীক প্রকাশ করেন। হাতের আঙুলের বৃদ্ধা ও তর্জনি বৃত্তাকারে যুক্ত করলে তা ইংরেজি বর্ণ ‘পি’ আকৃতি নেয়। এর মাধ্যমে পাওয়ার বা শক্তিকে বোঝানো হয়।আর বাকি তিনটি আঙুল ‘ডাব্লিউ’ হরফের রূপ নিলে তা দিয়ে হোয়াইট বা সাদা বোঝানো হয়। নিউজিল্যান্ডের আদালতে এভাবে নিজের বর্ণবাদী চরিত্র ফুটিয়ে তোলেন এই অস্ট্রেলীয় শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসী।




