‘এমন ছবিতে আরও কাজ করতে চাই’
বিনোদন ডেস্ক।। ৮ মার্চ মুক্তি পেয়েছে মুহাম্মদ মোস্তাফা কামাল রাজ পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘যদি একদিন’। এতে জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনয়শিল্পী তাহসানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন ভারতের বাংলা ছবির নায়িকা শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। গতকাল সকালে হয়ে গেল ছবিটির প্রিমিয়ার শো। দর্শকদের সঙ্গে ছবিটি উপভোগ করেন শ্রাবন্তী। ছবি শেষে কথা বলেন তিনি।
ছবি মুক্তির আগে প্রচারের জন্য বাংলাদেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু আসতে পারেননি। এসেছেন ছবি মুক্তির দিন। কেমন লাগছে? মুক্তির আগে আসতে না পেরে খুব খারাপ লাগছিল। তবে ঢাকায় কী কী হয়েছে, কীভাবে প্রচার চলছিল কলকাতায় বসে সব কিছু দেখেছি। আমি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি নিয়ে কথা বলেছি। কিন্তু সরাসরি প্রচারের আনন্দ অনেক বেশি।
সাধারণ মানুষের অভিব্যক্তি ও উচ্ছ্বাস সামনাসামনি দেখতে বেশি ভালো লাগে। ছবি দেখার পর আপনাকে বেশ উচ্ছ্বসিত লাগছে। এর পেছনে বিশেষ কোনো কারণ আছে? ছবিটির জন্য দর্শকদের প্রচুর ভালোবাসা পেলাম। আজ (গতকাল) যখন সবার সঙ্গে বসে ছবিটি দেখছিলাম, শেষ দৃশ্যের পর সবাই যখন হাততালি দিল তখনই বুঝে গেছি ছবিটি সুপার-ডুপার হিট হবে। পরিচালক রাজকে ধন্যবাদ, আমাকে এত ভালো একটি ছবির অংশ করার জন্য। ‘যদি একদিন’-এর দর্শক প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন সিনেমা হলে দেখে মুগ্ধ হয়েছি। বাংলাদেশের একক প্রযোজনায় এবারই প্রথম কাজ করলাম। এর আগে যৌথ প্রযোজনায় কাজ করেছি। বাংলাদেশের এমন আরও অনেক ছবিতে কাজ করতে চাই। আমি আশাবাদী, আগামীতে আরও ভালো ভালো কাজ করতে পারব বাংলাদেশে।
তাহসানের সঙ্গে প্রথম কাজ করলেন। কেমন লাগল? অসাধারণ। গুণী অভিনেতার পাশাপাশি তিনি ভালো মানুষও। তার ব্যবহার, কথাবার্তা সবই আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমরা প্রথম কাজ করেছি, কিন্তু কোনো সমস্যা হয়নি। সুন্দরভাবে অভিনয় করেছি। ছবির কাজের ফাঁকে চমৎকার আড্ডা হয়েছে। গল্প করেছি। আমি অবশ্য যেখানে কাজ করি, ওটা আমার পরিবারের মতোই হয়ে যায়। এই ছবির ইউনিটও তেমন ছিল। আর রাইসার কথা না বললেই নয়। ওকে তো সত্যি সত্যিই আমাদের মেয়ে বলে মনে হয়েছিল। আর তাসকিনের সঙ্গেও ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গেছে।
সহশিল্পী, পরিচালক না গল্প একটি ছবির জন্য কোন বিষয়টিকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকেন? যে কারও সঙ্গে কাজ করতে সমস্যা নেই। আমি শুধু দেখব গল্প। গল্প ভালো না হলে আমি কাজ করি না। আমার কাছে গল্পটাই সব। তবে একটি ভালো গল্পও একজন দক্ষ পরিচালকের অভাবে নষ্ট হতে পারে। আবার অভিনয়শিল্পী চরিত্রের সঙ্গে মিশে যেতে না পারলে, সেটি দেখে দর্শক আনন্দ পাবে না। চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে তাই প্রতিটি বিষয়ই জরুরি। তবে আমার কাছে গল্পটা বেশি গুরুত্ব পায়।




