সৌদি প্রবাসী স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর অধিকার ও সন্তানের পিতৃত্বের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
নিউজ ডেস্ক।। গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলা স্ত্রীর অধিকার ও সন্তানের পিতৃত্বের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আমেনা বেগম (৪০) নামে এক নারী। আজ মঙ্গলবার দুপুরে গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলটি করা হয়। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে এ দাবি জানানো হয়। বাড়াইপাড়া গ্রামে প্রয়াত আবুল মিয়া সরকারের মেয়ে আমেনা বেগম সংবাদ সম্মেলনে জানান, উপজেলার বৈরী হরিণমারি গ্রামের বাসিন্দা বাদশা মিয়া ১৯৯৪ সালে প্রথম স্ত্রীর কথা গোপন করে তাকে বিয়ে করেন। প্রথম সন্তান আল আমিনের জন্মের ৬ মাস পর চাকরির উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে চলে যান বাদশা। এর তিন মাস পর তিনি স্ত্রী ও সন্তানের ভরণ-পোষণ বন্ধ করে দিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এতে করে বিপদগ্রস্থ হয়ে পড়েন আমিনা।
এই অবস্থায় সন্তান লালন পালনের জন্য বিভিন্ন মানুষের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ শুরু করেন তিনি। এর মধ্যে বাদশা মিয়া দেশে ফেরার খবর শুনে তিনি তার বাড়িতে যান। কিন্তু তার স্বামী প্রথম স্ত্রীর প্ররোচনায় তাকে ও আল আমিনকে বাসা থেকে বের করে দেন। এমকি তাকে অনেক আগেই তালাক দিয়েছেন বলে বাদশা জানান। কিন্ত আমেনা বেগম তালাক নামার কোনো কাগজ পাননি।
আমেনা বলেন, সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে সন্তানের পিতৃত্বকে অস্বীকার এবং স্ত্রীর অধিকার থেকে বঞ্চিত করে বাদশা মিয়া তাদেরকে সমাজে নানা লাঞ্ছনা-গঞ্জনার এবং চরম দুর্ভোগের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমেনার ছেলে আল আমিন মিয়া, বড় ভাই মো. মন্টু মিয়া, ভাতিজা মো. ওমর ফারুক, প্রতিবেশী মো. শফিউল আলম।




