271160

পাইলট অভিনন্দন হামলার আগ মুহূর্তে যে বার্তা পাঠিয়েছিলেন

ডেস্ক রিপোর্ট।। পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান এফ ১৬’কে ধ্বংস করার পরই সেনাদের মিসাইলে ভারতীয জেট বিমান ভূপাতিত হয়ে বন্দী হন পাইলট অভিনন্দন বর্তমান। গত বুধবার কাশ্মীরে ‘ডগ ফাইটিং’য়ের (বিমান সেনাদের যুদ্ধ) সময় উইং কমান্ডার অভিনন্দনের পাঠানো শেষ রেডিও বার্তাটি প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। গত বুধবার পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান এফ ১৬-কে ধ্বংস করার আগে ‘আর ৭৩ সিলেক্টেড’ বলে শেষ রেডিও বার্তা দেন অভিনন্দন বর্তমান।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার সকালে ভারত-পাকিস্তানের দুটি যুদ্ধবিমানের মধ্যে প্রায় ৮৬ সেকেন্ড ধরে লুকোচুরি খেলা চলে। অভিনন্দনের চোখে ধুলো দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানটি। কিন্তু খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। তার পিছু পিছু মিগ-২১ বাইসন নিয়ে তাড়া করতে থাকেন ভারতীয় পাইলট।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, এফ ১৬-কে তাড়া করার সময় অভিনন্দনের মিগ ২১-এর গতি ছিল প্রতি চার সেকেন্ডে এক কিলোমিটার বা প্রতি ঘণ্টায় ৯০০ কিলোমিটার। শুধু তাই নয়, লড়াই করতে করতে অভিনন্দনের মিগ ২১ এবং পাক যুদ্ধবিমানটি একটা সময় প্রায় ২৬ হাজার ফুট উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিল। এ ভাবেই প্রায় ১৫ মিনিট চলে ‘ডগ ফাইট’।

একটা সময় দুটো বিমানের পারস্পরিক দূরত্ব কমে আসে। আর সেই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়েছিলেন অভিনন্দন। শর্ট রেঞ্জের আর-৭৩ মিসাইল ছোড়েন এফ ১৬-কে লক্ষ্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ রকম পরিস্থিতিতে আরভিভি-এই মিডিয়াম রেঞ্জ এয়ার-টু-এয়ার মিসাইলের চেয়ে আর-৭৩ অনেক বেশি কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারে। আর সেটাই করেছিলেন অভিনন্দন।

এক বায়ুসেনা কর্মকর্তা জানান, বিশ্বে এই প্রথম কোনো মিগ-২১ যুদ্ধবিমান এফ-১৬ এর মতো অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানকে ধ্বংস করল। এফ ১৬-এর সঙ্গে লড়াই চলাকালীন অন্য একটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে অভিনন্দনের বিমান লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আর তাতেই অভিনন্দনের বিমানটি ধ্বংস হয়ে যায়। ইজেক্ট করে বেরিয়ে এলেও তিনি পাক অধিকৃত কাশ্মীরে গিয়ে পড়েন। তার পরই বন্দী হন তিনি।

ad

পাঠকের মতামত