রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবহার হচ্ছে অটোরিকশায়
নিয়মনীতির তোয়াক্কা ছাড়াই রংপুর, ভোলা ও নাটোরে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার। এমনকি, অটোরিকশাতেও ব্যবহার হচ্ছে এসব সিলিন্ডার। যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার পাশাপাশি প্রাণহানির শঙ্কা করছে, প্রশাসন ও সুশীল সমাজ।কিছু কিছু সিনেমার দৃশ্য বলে দেয় কতটা প্রাণঘাতি হতে পারে রান্না কাজে ব্যবহৃত গ্যাস সিলিন্ডার। সাক্ষাত মৃত্যুকে হাতে নিয়ে চলছে দেশের বিভিন্ন স্থানে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের বিক্রি ও ব্যবহার। এই সিলিন্ডারের বেশিরভাগেরই নেই মেয়াদ আবার কোনটি ব্যবহারে একেবারেই অযোগ্য। তারপরও প্রয়োজনের তাগিদে এসব কিনছেন ক্রেতারা।
শুধু বাসাবাড়ির রান্নার কাজে নয় এই চলমান বোমা ব্যবহার হচ্ছে অটোরিকশাতেও। জীবনের ঝুঁকি যেনেও কিছুই করার নেই যাত্রীদের। অভিযোগ আছে, এসব সিলিন্ডার গ্যাস যারা বিক্রি করছেন তাদের বেশিরভাগের নেই প্রশাসনের অনুমতি ও বৈধ লাইসেন্স।
যদিও স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির দায়ে মাঝে মধ্যেই অভিযান চলানো হয়। এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে কিছু নিয়ম আছে, পাশাপাশি ঝুঁকি কমতে আরো সচেতন হওয়ার পরামর্শ ফায়ার সার্ভিসের।সরকারি নিয়ম অনুযায়ি, এসব এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করতে পাকা মেঝেসহ আধাপাকা ঘর, অগ্নি নির্বাপক সক্ষমতা ও ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স থাকতে হবে।




