ব্যবসায়ীদের বাধা, রাসায়নিকের গুদাম উচ্ছেদ অভিযানে
নিউজ ডেস্ক।। পুরান ঢাকার আবাসিক এলাকা থেকে রাসায়নিকের গুদাম ও কারখানা উচ্ছেদে দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালিয়েছে সরকারি টাস্কফোর্স। অভিযানে বেশ কয়েকটি কারখানার পানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। তবে চকবাজারে অভিযানের সময় ব্যবসায়ীদের বাধার মুখে স্থগিত করা হয় অভিযান। চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডির রেশ এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি পুরান ঢাকাবাসী। বাড়তে থাকা নিহতের সংখ্যা মনে করিয়ে দিচ্ছে অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতার কথা।
ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে পুরান ঢাকা থেকে রাসায়নিকের গুদাম ও কারখানা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে সরকারি বিস্ফোরক অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর, পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎসহ ১০টি সংস্থা নিয়ে গঠিত টাস্কফোর্স। শনিবার দুপুরে দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান শুরু হয় আরমানিটোলা ও শহীদনগর এলাকায়। শহীদনগরে বেশ কয়েকটি কারখানার পানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। অল্প সময়ের নোটিশে কারখানা ও গুদাম সরানো কঠিন বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা বলেন, আমাদের সময় দিতে হবে। এখানে কেমিক্যাল বলতে হাজার হাজার কেমিক্যাল আছে। এখানে আগুন ছড়ানোর কেমিক্যাল আছে। আগুন নেভানোরও কেমিক্যাল আছে। আমাদের একটা জায়গা দেন আমরা সেখানে যাবো। আরমানিটোলায় বেশ কয়েকটি কারখানাকে সপ্তাহ খানেকের সময় বেঁধে দিয়েছে টাস্কফোর্স। পুরান ঢাকার আবাসিক এলাকা রাসায়নিক ঝুঁকিমুক্ত করার ব্যাপারে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলেন, ‘দাহ্য পদার্থ সরানোর বিষয়ে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। তারা যদি তাদের কারখানা সরিয়ে নিয়ে না যান আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো।’
এদিকে চকবাজার থানা পুলিশ জানিয়েছে, সিটি করপোরেশনের একটি দল জয়নাগ রোডের একটি আবাসিক ভবনে কেমিক্যালের গুদাম খুঁজে পায়। এরপর ভবনটির বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সময় এলাকার ব্যবসায়ীরা স্লোগান দিতে থাকে এবং তাদের তোপের মুখে অভিযান স্থগিত করতে বাধ্য হয় টাস্কফোর্স। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া টাস্কফোর্সের এ অভিযান চলবে পহেলা এপ্রিল পর্যন্ত। উৎস: সময়টিভি।




