কানে তালা লাগলে বা স্তব্দ হয়ে গেলে আমরা কি করতে পারি ? জেনে নিন উপায়
কানে তালা থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি উপায়: ঠাণ্ডা লেগে, কানে পানি ঢুকে বা প্রচণ্ড শব্দ এবং বিমানে ওঠানামা করলে কানে তালা ধরতে পারে। এর প্রতিটি চিকিৎসা পদ্ধতি ভিন্ন। প্রথমে কানে তুলা গুঁজে রাখুন। শব্দ থেকে দূরে থাকুন। নাক-মুখ বন্ধ করে বারবার ঢোক গিলুন।
চিকিৎসা:শর্ষের তেলে রসুন ও আদার রস সমপরিমাণে মিশিয়ে সামান্য গরম করে ঠাণ্ডা হলে দিনে ২ বার ১ ফোঁটা করে কানে দেবেন। শর্ষের তেলের সঙ্গে ১ চিমটি কর্পূর ও ধুতরাপাতার রস ১ চা চামচ মিশিয়ে ১ ফোঁটা করে দিনে ২ বার লাগতে পারেন। তারপিন তেল ও শর্ষের তেল সমপরিমাণে মিশিয়ে সামান্য গরম করে দিনে ২ বার ১ ফোঁটা করে দিন। আধা গ্রাম সমুদ্র ফেন চূর্ণ তারপিন তেলে মিশিয়ে গরম করে ২ বার ১ ফোঁটা করে দিলে উপকার হয়।
কানে পানি ঢোকা-যা করবেন-একটু ধৈর্য ধরলে পানি বাষ্প হয়ে এমনিতে বার হয়ে যায়। ধৈর্য ধরতে না পারলে কানের ভেতরে ১ ফোঁটা পানি দিয়ে মাথা ঝাঁকালে খুব উপকার পাবেন, যদি কান খোলা থাকে। এ ছাড়া হাতের কাছে রেকটিফায়েড স্পিরিট, ওডিকোলন বা আফটার শেভ লোশন থাকলে তার কয়েক ফোঁটা কানে দিন। এগুলো কানের পানি শুষে নেবে।
চিকিৎসা-দেবদারু ও আদার রস সমপরিমাণে মিশিয়ে ১ চিমটি কর্পূরসহ সামান্য পরিমাণে গরম করে কানে ১ ফোঁটা করে দিনে ২ বার দিন। এক কোয়া রসুন থেঁতো করে তার রস শর্ষে তেলের সঙ্গে মিশিয়ে গরম করে ১ ফোঁটা করে দিনে ২ বার দিলে উপকার পাবেন। এ ছাড়া তুলসীপাতার রস ১ ফোঁটা করে দিনে ২ বার দিলেও ভালো হয।
কানে তালা লাগলে প্রদাহ কমানোর জন্য অ্যান্টিহিস্টামিন- জাতীয় ওষুধ, প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হয়। বয়স উপযোগী নাকের ড্রপ ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্যথা কমাতে প্যারাসিটামল খাওয়া যেতে পারে। যাঁদের ঠান্ডার ধাঁচ ও অ্যালার্জি আছে, তাঁরা সহজে ঠান্ডা লাগাবেন না।




