‘হাতে গামছা বাঁধা আছে, ওই আমার ভাই’
নিউজ ডেস্ক।। স্বজনদের আহাজারীদের ঢাকা মেডিকেল কলেজের আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। মো. আহসান নামের নিখোঁজ হওয়া এক দোকানের মালিকের খোঁজে এসেছেন ওই দোকানের ম্যানেজার মো. রাশেদ। তিনি বলেন, আমার মহাজন লেডিস ব্যাগের দোকানের মালিক। আগুন লাগার আগে ওষুধ কিনতে গিয়েছিলেন চকবাজারে। এরপর আর ফিরে আসেননি। আমার মহাজন অনেক ভালো মানুষ ছিল। মো রাশেদ বলেন, আমরা দোকানের সবাই এখানে সকালেই আসি। মর্গে সকালে ঢুকতে দিয়েছিল। তখন শার্ট আর লুঙ্গি দেখে একজনকে আমার মহাজন বলে সন্দেহ হয়েছে। কিন্তু মুখ পোড়া ছিল বলে নিশ্চিত হতে পারিনি।
তিনি আরো বলেন, আমরা মহাজনের ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি জমা দিয়েছি। ঢাকা মেডিকেল কলেক কর্তৃপক্ষ বলেছে, এভাবে চেনা না গেলে ডিএনএ টেস্ট করা হবে। আমরা সেজন্য অপেক্ষা করছি। অন্যদিকে, ভাইয়ের জন্য আহাজারী করতে করতে কামরাঙ্গীর চরের হাসিনা বেগম বলেন, আমার ভাই ভ্যান চালায়। তার নাম ইসহাক। গতকাল রাতেও তার সঙ্গে কথা হয়। এরপর সব জায়গায় খুঁজেছি, ভাই আমার নাই।
তিনি আরো বলেন, সকালে এখানে (মর্গে) এসেছি। বাইরে থেকে দেখেছি, একজনের হাতে গামছা বাধা আছে। ওই আমার ভাই। কিন্তু এখানে তো আমাদের ঢুকতে দিচ্ছে না। হাসিনা বেগমের সঙ্গে ইসহাক ব্যাপারীর স্ত্রী চম্পা বেগম ও শালী মিতাকেও আহাজারী করতে দেখা যায়। উৎস: সময়টিভি।




