264747

আপত্তিকর প্রস্তাবে রাজি না হলে ভাইভায় ফেল ছাত্রী!

অনলাইন ডেস্ক।। নম্বর বাড়িয়ে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নানা ধরনের আপত্তিকর প্রস্তাব দেন শিক্ষকরা। এছাড়া শিক্ষকদের সঙ্গে একাকী ট্যুরের ওফারও দেয়া হয় ছাত্রীেদের। নানা প্রজেক্টের কথা বলে লংড্রাইভেরও প্রস্তাব দেয়া হয় ছাত্রীদের। এছাড়া ছাত্রীদের প্রথমে প্রেম ও পরে বাসায় অথবা হোটেলে নিয়ে অন্তরঙ্গ হওয়ার প্রস্তাবও আসে শিক্ষকদের কাছ থেকে। প্রস্তাবে রাজি না হলে ভাইভা কিংবা অন্য পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেয়া হয় ছাত্রীদের। ফরিদপুরে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন বেসরকারি মেডিকেল টেকনোলজি কলেজ ‘কমিউনিটি ম্যাটস’-এর শিক্ষার্থীরা। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক থেকে শুরু করে কর্তাব্যক্তিদের যৌন হয়রানিতে অতিষ্ট হয়ে এবার অান্দোলনে নেমেছেন ছাত্রীরা।

রোববার ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা যৌন হয়রানি ও প্রতারণার বিষয়টি উল্লেখ করে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন ও পুলিশ সুপার বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের মোট ৪ বছরের কোর্স আর ৩ বছর একাডেমিক ও ১ বছর ইন্টার্নি। কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের ভর্তির পূর্বে বিএমডিসির অনুমোদন রয়েছে উল্লেখ করলেও এখন তারা বিএমডিসির সনদ দিতে পারছেন না। পরে খোঁজ নিয়ে তারা জানতে পারেন এই কলেজের বিএমডিসির কোন অনুমোদনই নেই।

একাধিক ছাত্রীর অভিযোগ, শিক্ষকরা তাদের পরীক্ষায় নাম্বার কমিয়ে দেয়া, ভাইভায় ফেল করিয়ে দেয়াসহ নানা অযুহাতে তাদের যৌন হয়রানি করেন। অনেক ছাত্রীকে ফরিদপুরের বাইরে ট্যুরে যাওয়ারও অফার দেয়া হয়। অনেক ছাত্রীই এসব কারণে কলেজ ছেড়েছে বলে জানান তারা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজ অধ্যক্ষকে তারা কখনোই পান না। যে কোন ধরনের অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে চাইলে পরিচালকদের সাথে কথা বলতে হয়।

এব্যাপারে কলেজের অন্যতম পরিচালক মো. মহসিন যৌন হয়রানী বিষয়টি ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বলেন, বিএমডিসি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। আমরা স্টেট মেডিকেল বোর্ড অব ফ্যাকাল্টি থেকে সনদ দিয়ে থাকি। বিএমডিসি’র অনুমোদন একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আমরা আবেদন করেছি, এই মাসেই তাদের পরিদর্শনের আসার কথা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ad

পাঠকের মতামত