“যারা বলে আতঙ্কবাদের ধর্ম হয় না, তারা মিথ্যা বলে, আতঙ্কবাদের ধর্ম আছে”: তসলিমা নাসরিন
কোনো সমস্যার উৎস খুঁজে বের করতে না পারলে সেই সমস্যার সমাধান বের করা খুবই কঠিন ব্যাপার। ভারতের জন্য একটা বড় সমস্যা আতঙ্কবাদ। কাশ্মীর সমস্যা ও আতঙ্কবাদকে এখনো পর্যন্ত সমাধান করা যায়নি। এর কারণ দেশের বামপন্থী, বুদ্ধিজীবী ও সেকুলার রাজনীতিবিদরা এই সমস্যার গোড়ায় বরাবর মাটি চাপা দিয়ে গেছে তথা সমস্যার উৎসকে লুকিয়ে যায়। জানিয়ে দি, কাশ্মীর ঘাঁটি তথা আতঙ্কবাদের সৃষ্টি ইসলামিক জিহাদ থেকে। সাধারণ ভারতবাসীর কাছে যেটা আতঙ্কবাদ সেটা কট্টরপন্থীদের কাছে জিহাদ।
পুলবামায় যে জিহাদি আত্মঘাতী ব্লাস্ট করেছিল তার নাম ছিল মহম্মদ আদিল। আদিল ব্লাস্ট করার আগে একটা ভিডিও প্রকাশ করেছিল এবং সেখানে সে বহুবার ইসলাম ও আল্লাহ শব্দের ব্যাবহার করেছিল। কিন্তু তারপরেও কিছু সেকুলারের মতে আতঙ্কবাদের কোনো ধর্ম হয় না, আতঙ্কবাদের কোনো দেশ হয় না। নবজোত সিং সিধু বলেছেন আতঙ্কবাদের কোনো ধর্ম, দেশ হয়না তাই পাকিস্থানকে গালি দেওয়া উচিত নয়।
আসলে এই সমস্ত বামপন্থী, কংগ্রেসি মানুষ আতঙ্কবাদের সবথেকে বড় সাথী তথা রক্ষা কবজ এবং মানবতার সবথেকে বড় শত্রু। এই সেলুকার বামপন্থীদের মুখে জোরদার ঝামা ঘষেছেন বিখ্যাত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। উনার জন্ম ইসলামিক দেশ বাংলাদেশে, উনি ভালো করেই জানেন আতঙ্কবাদের ধর্ম হয় কিনা! উনি বলেছেন-“এটা বলবেন না যে আতঙ্কবাদের কোনো ধর্ম হয় না, আসলে ধর্মের সাথে আতঙ্কবাদ ভালোভাবেই জড়িত।” আতঙ্কবাদীরা নিজেরাই নিজেদের ধর্ম জানিয়ে দেয়, নিজেরাই ধর্মের শ্লোগান দেয়। আর তৎপর আতঙ্কবাদীদের রক্ষা কবজ এসে ডায়লগ দেয় যে আতঙ্কবাদের কোনো ধর্ম হয়না, কোনো দেশ হয় না।




