262494

প্রধান বিচারক কে হবেন, সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি ঐক্যফ্রন্ট

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে অনিয়ম নিয়ে গণশুনানির আয়োজন করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ঢাকায় এ গণশুনানি হবে বলে বুধবার ঐক্যফ্রন্টের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। তবে এই গণশুনানিতে প্রধান বিচারক কে হবেন সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।নির্বাচন ঘিরে সন্ত্রাস ও ভোট জালিয়াতি জনসম্মুক্ষে সম্পূর্ণভাবে উন্মোচনের উদ্দেশে বুধবার বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মতিঝিলে ড.কামাল হোসনের চেম্বারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে ড. কামাল হোসেনকে গণশুনানিতে প্রধান বিচারক করার প্রস্তাব করা হয়।

বৈঠক শেষে জোটের নেতা ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব সাংবাদিকদের জানান, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যে গণশুনানি কর্মসূচি পালন করবে তাতে প্রধান বিচারক হিসেবে থাকবেন জোটের আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন।তবে ড. কামাল হোসেন হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, গণশুনানির প্রধান বিচারক কে হবেন তা এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।বুধবারের সভায় ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন- ড. আবদুল মঈন খান, আ স ম আবদুর রব, অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসীন মন্টু, অ্যাডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, শহিদুল্লা কাউসার, শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার প্রমুখ।

বৈঠক শেষে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, গণশুনানিতে বিচারপতিরা কারা থাকবেন, সেটা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে প্রধান বিচারপতি হিসেবে ড. কামাল হোসেন থাকবেন। এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কামাল হোসেন বলেন, প্রধান বিচারপতি আমি থাকবো কি থাকবো না, সেবিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।রব বলেন, গণশুনানিতে একটা আদালত থাকবে। সেখানে বিচারক থাকবে। আমাদের ড. কামাল হোসেন বিচারক হিসেবে থাকবেন। সেখানে মিডিয়া থাকবে।

তিনি বলেন, আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি গণশুনানি। ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে ৩০ ডিসেম্বর ভোট ডাকাতির প্রতিবাদে গণশুনানির বিষয়ে প্রস্তুতি সভায় আমরা আলোচনা করেছি। ২৪ তারিখে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে গণশুনানি হবে।গণশুনানির স্থানের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গণশুনানির সম্ভাব্য স্থান হচ্ছে, মহানগর নাট্য মঞ্চ, জাতীয় প্রেসক্লাব, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিশনসহ যেটাই পাওয়া যায়, সেখানেই আমরা করবো। স্যারের (কামাল হোসেন) নেতৃত্বে গণশুনানি হবে।

গণশুনানিতে কোন রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানাবেন কি না- এ প্রশ্নের জবাবে জেএসডির সভাপতি বলেন, নির্বাচনে যারা আহত, নিহত, নির্যাতিত এবং ফ্রন্টের প্রার্থী থেকে শুরু করে সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। সকাল ১০টা বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ গণশুনানি চলবে।তিনি জানান, গণশুনানিকে আরো সুশৃঙ্খলভাবে করার জন্য আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪ টায় ঐক্যফ্রন্টের অফিসে যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে। এর মাধ্যমে সারাদেশের জেলা ও উপজেলার মানুষদের আসার জন্য আহ্বান জানানো হবে।

আবদুর রব বলেন, যাদের সম্পদ লুট করে নিলো ও বিবেকে আঘাত করলো, তারা কোন প্রতিবাদ করবে না। আমরা, ড. কামাল হোসেন ও ঐক্যফ্রন্ট শুধু প্রতিবাদ করবো? জনগণকে মাঠে নামতে হবে। আমরা ডাকতেছি।ঐক্যফ্রন্টের এই শীর্ষ নেতা বলেন, আগামী ২৪ তারিখ উলঙ্গ করে দেওয়া হবে। তারা (সরকার) বলছেন যে, জনগণ ভোট দিয়েছে। ভোট দিয়েছে না কি ভোট ডাকাতি করেছে? এটাই সারাবিশ্বে এবং বাংলাদেশের জনগণের কাছে পরিষ্কার করা হবে।

ad

পাঠকের মতামত