অবশেষে সেই এসআই গ্রেপ্তার
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় আন্ধারিয়া পাড়া গ্রামে গরুর ফার্মে আটক রেখে আওয়ামী লীগ কর্মী সেলিম হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের এসআই মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার গভীর রাতে জামালপুর সদর থানা তার কর্মস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ফুলবাড়িয়া থানায় নিয়ে আসে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা।এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ফাতেমা খাতুন বাদী হয়ে রোববার রাতে ফুলবাড়িয়া থানায় দারোগা মোহাম্মদ আলী, তার পুত্র রিয়াদসহ ৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।সোমবার সকালে নিহত সেলিমের জানাযা শেষে আন্ধারিয়া পাড়া থেকে শত শত গ্রামবাসী বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ফুলবাড়িয়া থানা ভিতরে ঢুকে পরে। এ সময় খুনি এসআই মোহাম্মদ আলী ও তার পুত্র রিয়াদের ফাঁসির দাবি করেন তারা। পরে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করে উপজেলা পরিষদের সামনে।
গ্রেপ্তারকৃত দারোগা মোহাম্মদ আলী ও তার সৎ মা রেজিয়া খাতুনকে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে ময়মনসিংহ আদালতে প্রেরণ করেছেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা।নিহতের স্ত্রী মুক্তিযোদ্ধার কন্যা ফাতেমা খাতুন বলেন, আমার স্বামীকে ঘাতক দারোগা মোহাম্মদ আলীসহ ৪/৫ জনে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। তার নির্দেশে মাদকসেবী বখাটে পুত্র রিয়াদ আমার সামনে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় তার গরুর খামারে। আমার দুটি শিশু সন্তানকে এতিম করেছে, স্বামীর হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইদুর রহমান বলেন, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যহত রয়েছে। হত্যার রহস্য উৎঘাটনের জন্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে গত শনিবার রাতে আওয়ামী লীগ কর্মী সেলিমকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে আন্ধারিয়াপাড়া পুলিশের এসআই মোহাম্মদ আলীর গরুর ফার্মে হাত পা বেঁধে শিকল দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহতাবস্থায় রাতেই সড়ক দুর্ঘটনার কথা বলে মচিমহায় ভর্তি করা হয়। রবিবার সকালে হাসপতালে তিনি মারা যান।




