257895

নারায়ণগঞ্জে সেই ধর্ষক পুলিশের সাথে ধর্ষিতার বিয়ে!

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ওয়াজ শুনতে আসা স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামী কারারক্ষী মৃদুল হোসেন জামিন পেয়েছেন। সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত শুনানি শেষে তার ৭ দিনের জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন শুনানিকালে বাদী পক্ষ থেকে কোনো রকম আপত্তি তুলেনি।এর আগে ২৫ জানুয়ারি বিকেলে তারাবো হাটিপাড়া এলাকায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে কারারক্ষী মৃদুল হাসান। এ ঘটনায় আক্রান্ত স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মৃদুলসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা সূত্র ধরে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় মৃদুলকে। ২৭ জানুয়ারি গ্রেফতারকৃতকে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ।

একই দিন আইনজীবীদের মধ্যস্থতায় আদালতেই কারারক্ষী মৃদুল ও ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বিয়ে সম্পন্ন হয়। একই দিন বিকেল ৩টার দিকে নারায়লগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্কুলছাত্রীর জবানবন্দী রেকর্ড করা। সে আদালতকে জানিয়েছে, তাকে ধর্ষণ করা হয়নি, সে স্বেচ্ছায় অভিযুক্তের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে।আইনজীবি সূত্র জানায়, স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনায় বাদী বিবাদী উভয় পক্ষ আদালতে উপস্থিত থেকে সুখে ঘর সংসার করার জন্য আবেদন করে। পরবর্তীতে ১০ লক্ষ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।

মৃদুল হাসান কেরানিগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের একজন কারারক্ষী। ওইদিন সে ছুটিতে রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ান এলাকায় বেড়াতে আসে। আক্রান্ত স্কুলছাত্রীটি মায়ের সঙ্গে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ছাতিয়ান এলাকায় তার নানা বাড়িতে এসছিলেন।এদিকে ধর্ষকের সাথে ধর্ষিতার বিয়ে! ব্যাপারটিতে আইনী কোনো বাধা না থাকলেও সামাজিক সঙ্কটকে আরও উস্কে দেওয়ার মতোই এই ঘটনাটি। তাছাড়া, ধর্ষক যখন বর আর ধর্ষিতা যখন স্ত্রী তখন, এদের দাম্পত্য জীবন কতটা সুখনির্ভর হবে বা হতে পারে, সে নিয়েও রয়েছে সন্দেহ। সূত্র: বাংলাদেশ টুডে

ad

পাঠকের মতামত