257830

ধর্ষণের পর ইয়াবা দিয়ে চালান, পুলিশি তদন্তে গুমট ফাঁস

অপহরণ, ধর্ষণ। অতঃপর ইয়াবা দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া। ফলাফল চার মাসের কারাভোগ। চট্টগ্রামে এমনই নির্মমতার শিকার হয়েছেন এক নারী। সম্প্রতি পুলিশের দুটি ইউনিটের তদন্তে বেরিয়ে আসে, বাবার সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে, সৎ মাকে এভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আর এই কাজে সম্পৃক্ত ছিলেন এক ওসিসহ তিন পুলিশ সদস্য।গেল মাসের প্রথম সপ্তাহে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েও স্বস্তিতে নেই এই নারী। প্রতিনিয়ত পাচ্ছেন হুমকি। তাই রয়েছেন আতংকে।ঘটনাটি গেল বছরের ২৯ আগস্টের। অভিযোগ, ওইদিন বিকেলে নগরীর হালিশহর এলাকার বাসা থেকে তাকে তুলে নিয়ে যান স্বামীর প্রথম স্ত্রীর সন্তান খোকনসহ কয়েকজন। তাকে ধর্ষণের পর ফেলে দেয়া হয়, সীতাকুণ্ডের কুমিরায়। এরপর ইয়াবাসহ এই নারীকে আটক দেখায় পুলিশ। কারাভোগ করেন চারমাস।

তবে আসল ঘটনা বেরিয়ে আসে পিবিআই ও ডিবির তদন্তে। আদালতের নির্দেশে তদন্ত শেষে তারা সম্প্রতি যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তাতে বলা হয়, এই নারী ইয়াবা কারবারি নন। অভিযুক্তদের সাথে যোগসাজশে তাকে ফাঁসানো হয়েছে। যাতে সম্পৃক্ত সীতাকুন্ড থানার সাবেক ওসি ইফতেখার হাসান, এসআই সিরাজ মিয়াসহ তিন পুলিশ মিলে মোট ১৩ জন।মূলত বাবার সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে এমন ঘটনা সাজান খোকন-অভিযোগ ভুক্তভুগী নারীর। যদিও তা অস্বীকার করেন খোকন।

এ ব্যাপারে বক্তব্য পাওয়া যায়নি অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তার। তবে ঘটনাটি তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান জেলা পুলিশের এই কর্মকর্তা।নির্যাতিত নারীর আইনজীবীরা পুরো বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করবেন মঙ্গলবার ৫ ফেব্রুয়ারি।

ad

পাঠকের মতামত