257205

নষ্ট মোবাইল ফোন ফেরত দিলে মিলবে টাকা

পরিবেশ দূষণ ঠেকাতে নষ্ট মুঠোফোন ফেরত নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমপিআইএ)। যার বিপরীতে গ্রাহককে কিছু অর্থও দিতে চায় সংগঠনটি। এ জন্য সরকারের কাছে সহায়তা চেয়েছে বিএমপিআইএ।বাংলাদেশ টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক (টিআরএনবি) আয়োজিত ‘ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এ গোলটেবিল বৈঠকে বিএমপিআইএর সভাপতি রুহুল আলম আল মাহবুব এ উদ্যোগের কথা জানান। শনিবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের একটি হোটেলে আয়োজিত এ গোলটেবিল বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, বিটিআরসির চেয়ারম্যান জহুরুল হকসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলাদেশে প্রতিবছর নষ্ট মুঠোফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, গৃহস্থালি ইলেকট্রনিকস সামগ্রী, মোবাইল ফোনের টাওয়ার ইত্যাদি নানা বর্জ্য উৎপাদনের চিত্র তুলে ধরে বলেন, এসব বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলার কারণে তাতে থাকা নানা ক্ষতিকর রাসায়নিক ও অন্যান্য উপাদান পরিবেশকে দূষিত করছে। শেষ পর্যন্ত এসবের প্রভাব পড়ছে মানুষের স্বাস্থ্যে।ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে নানা পরামর্শ শুনে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ইলেকট্রনিক্স ও ডিজিটাল পণ্যের ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে। পুরনো প্রযুক্তি বাদ দিয়ে নতুন প্রযুক্তিতে যেতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ফলে গত ১০ বছরে বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার যে পরিমানে বেড়েছে তা গত ৩০ বছরের চেয়ে অনেকে বেশি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন ইলেকট্রনিক পণ্য আমদানিই করছে না, উৎপাদনও করছে। ফলে বর্জ্য বাড়ছে। ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে গুরুত্ব দিতে হবে।সরকারের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক পণ্যের ট্রেডবডি, পণ্য উৎপাদনকারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্মিলিত উদ্যোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ই-বর্জ্য নীতিমালা পরিবেশ মন্ত্রণালয়ে থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে গেছে।টিআরএনবি সভাপতি জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার দে’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সুলতান উদ্দিন আহমেদ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক, বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক রওশন মমতা প্রমুখ।

ad

পাঠকের মতামত