250883

‘স্যারকে বলেছিলাম আমার খুব ভয় লাগছে’

বিপিএলে একেবারেই রান পাচ্ছিলেন না তামিম ইকবাল। পরপর দুটি শূন্য মেরেছিলেন ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো। তবে খুলনার বিপক্ষে কাল রাতের ম্যাচে নিজেকে ফিরে পেয়েছেন। ইনিংসটি খেলার আগে নাকি ভীষণ নার্ভাস ছিলেন তামিম।টানা দুই ম্যাচে শূন্য মারার পর বলেছিলেন , ‘আমার ভেতর একটা ইনিংস আছে যেটায় সব কিছু বদলে যাবে।’ কিন্তু সেই ইনিংস না এলে কি হবে সেই ভয়েও ভীষণ কাবু হয়েছিলেন তামিম ইকবাল। তাকে সাহস দিয়েছেন কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। নিজের শূন্য মারার গল্প শুনিয়ে সাহস দিয়েছেন শহীদ আফ্রিদিও।

খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে ৪২ বলে ৭৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে সমস্ত অস্বস্তি, মনের ভয় ঝেড়ে ফেলার পর এই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তামিম।সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি বললেন, ব্যাটিংয়ে নামার আগে নাকি ভীষণ নার্ভাস ছিলেন। ফর্ম না থাকলে যেকোনো ব্যাটসম্যানই প্রচণ্ড স্নায়ুর চাপে ভোগেন।কিন্তু তামিম জানালেন এমনটা নাকি তাঁর আগে কখনোই হয়নি, ‘আমার মনে হয় না গত সাত-আট বছরে আমি এত নার্ভাস ছিলাম কোনো খেলার আগে। আমি স্যারকে বলছিলাম (কুমিল্লা কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন), “স্যার আমার খুব ভয় লাগছে।” তিনি তাঁর মতো করে আমাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছেন। এমনকি শহীদ আফ্রিদি এসে তাঁর গল্পগুলি বলছিল। ওরাও বুঝেছিল আমার অবস্থা। আমি একদমই স্বাভাবিক ছিলাম না। আমার মনে হয় না কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচেও আমি এমন পরিস্থিতিতে পড়েছি।’

জুনায়েদ সিদ্দিকীর ৪১ বলে ৭০ রানের ইনিংসে ১৮১ রান করেছিল মাহমুদউল্লাহর খুলনা। সেই রান তাড়ায় এনামুল হক বিজয়কে নিয়ে ঝড় তুলেন তামিম। উদ্বোধনী জুটিতেই তুলে ফেলেন ১১৫ রান। এক ডজন বাউন্ডারি আর এক ছক্কায় ৪২ বলে ৭৩ করে আউট হন তামিম। পরে শঙ্কা জাগিয়েও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স জেতে ৩ উইকেটে।আগের ম্যাচের পর বলেছিলেন একটা ভালো ইনিংস দরকার তাঁর ফর্মে ফেরার জন্য। তবে ফর্ম নিয়ে তাঁর অনুধাবনের জায়গাটা আর দশজনের মতো নয়, ‘আমার মনে হয় একজন ব্যাটসম্যান যখন খারাপ ফর্মে, দুই-তিনটা ইনিংসে সে খারাপ ফর্মে নাও চলে যেতে পারে। আবার হঠাৎ করেই একটা ইনিংস খেলে সে ভালো ফর্মে চলে আসে না। এই মুহূর্তে আমি নিজেকে মনে করব না যে ফর্মে চলে এসেছি। তবে আমি হারানো বিশ্বাসটা খুঁজে পেয়েছি পরের খেলার জন্য। ফর্মে এসেছি কিনা সেটা বলতে পারব না।’

ad

পাঠকের মতামত