250991

পেঁপের চেয়েও এত গুণ পেঁপে পাতার রসের!

নিউজ ডেস্ক।। পেঁপের গুণ সবার জানা ! কিন্তু জানেন কি, পেঁপে পাতাও ফেলে দেওয়ার নয়! নানা রোগের মোকাবিলা করতে এক্সপার্ট পেঁপে পাতা। যেমন-

ক্যান্সার: পেঁপে পাতায় অ্যাচেটোজেনিন নামে একধরনের উপাদান আছে, যা ক্যান্সার কোষকে শরীর থেকে বের করে দিতে পারে অথবা নষ্ট করে ফেলতে পারে। জাপান ও ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই নিয়ে নানারকম গবেষনা হয়েছে যেখানে দেখা গিয়েছে, পেঁপে পাতা ক্যান্সার নিরাময়ে কার্যকরী। বিশেষ করে জরায়ু ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার এবং ফুসফুসের ক্যান্সার। তাছাড়া, পেঁপে পাতার রস কোমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমায়।

ক্যান্সার: পেঁপে পাতায় অ্যাচেটোজেনিন নামে একধরনের উপাদান আছে, যা ক্যান্সার কোষকে শরীর থেকে বের করে দিতে পারে অথবা নষ্ট করে ফেলতে পারে। জাপান ও ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই নিয়ে নানারকম গবেষনা হয়েছে যেখানে দেখা গিয়েছে, পেঁপে পাতা ক্যান্সার নিরাময়ে কার্যকরী। বিশেষ করে জরায়ু ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার এবং ফুসফুসের ক্যান্সার। তাছাড়া, পেঁপে পাতার রস কোমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমায়।

ডেঙ্গু: পেঁপে পাতার রস রক্তের প্লেটেলেট সংখ্যা বাড়ায়। ম্যালেরিয়া: পেঁপে পাতার রস ম্যালেরিয়ারও প্রতিষেধক। পাকস্থলীর আলসার: পেঁপে পাতা পাকস্থলীর প্রদাহ কমায় এবং এইচ পাইলোরি নামের ব্যাকটিরিয়া যা মূলত আলসারের জন্য দায়ি, তা ধ্বংশ করে । বদ হজম, বুকজ্বালা ও কোষ্ঠ্যকাঠিন্য: পেঁপে পাতায় রয়েছে ‘কারপেইন’ যা পাকস্থলীতে সমস্যা সৃষ্টিকারি ব্যাকটিরিয়া ধ্বংস করে। রয়েছে প্রচুর পরিমাণ প্যাপেইন, প্রোটিজ এনজাইম এবং অ্যামাইলেইজ এনজাইম যা গম জাতীয় খাবারের গ্লুটেন ভেঙ্গে তা হজম উপযোগী করে তোলে। পাশাপাশি কোষ্ঠ্যকাঠিন্যও দূর করে।

বদ হজম, বুকজ্বালা ও কোষ্ঠ্যকাঠিন্য: পেঁপে পাতায় রয়েছে ‘কারপেইন’ যা পাকস্থলীতে সমস্যা সৃষ্টিকারি ব্যাকটিরিয়া ধ্বংস করে। রয়েছে প্রচুর পরিমাণ প্যাপেইন, প্রোটিজ এনজাইম এবং অ্যামাইলেইজ এনজাইম যা গম জাতীয় খাবারের গ্লুটেন ভেঙ্গে তা হজম উপযোগী করে তোলে। পাশাপাশি কোষ্ঠ্যকাঠিন্যও দূর করে।

হৃদরোগ: পেঁপে পাতা করোনারি হার্ট ডিজিজ এবং হার্ট-এর অন্যান্য সমস্যা দূর করে। পেঁপে পাতা ভিটামিন সি, বি (নিয়াসিন) এবং পটাশিয়াম-এ ভরপুর যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি। ব্রণ: শুকনো পেঁপে পাতা জল দিয়ে বেটে ব্রণর উপরে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নিন। ৩-৪দিন নিয়মিত লাগালেই ব্রণ গায়েব।

ad

পাঠকের মতামত