250911

দয়া করে কারো খেলার গুঁটি হবেন না : ফারুকী

নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘স্যাটারডে আফটারনুন’ বা ‘শনিবার বিকেল’ ছবিটি সেন্সর বোর্ডে আটকে গেছে। গত বৃহস্পতিবার সেন্সর বোর্ড থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু কী কারণে ছবির সেন্সর ছাড়পত্র আটকানো হয়েছে তা এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সেন্সর বোর্ডের সদস্যদের তথ্য মতে, যেহেতু ছবির মধ্যে হলি আর্টিজানের ইঙ্গিত আছে, তাই এটি পর্যালোচনার জন্য রাখা হয়েছে।‘শনিবার বিকেল’ ছবিটি ঘিরে এর আগে বিতর্ক ওঠে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে। ইসলাম ধর্মকে অপমান করা হয়েছে-এমন অভিযোগও আনা হয় ফারুকীর বিরুদ্ধে। এতদিন বিষয়টি নিয়ে অনেকটা নিশ্চুপ ছিলেন ফারুকী। শুক্রবার রাতে তিনি তার ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন।

সেখানে তিনি লিখেন, ‘ভেবেছিলাম, আমি ফেসবুকে কোনো কথা বলবো না। সেন্সর বোর্ড ছবি আটকেছে, আমরা আপিল করব। ব্যাস। কিন্তু একটা ডাহা মিথ্যা কথা যখন অনলাইনে ছড়িয়ে ঘৃণা উস্কে দেয়া হয়, তখন আর আসলে চুপ থাকার সুযোগ নাই। দেখতে পাচ্ছি, হুজুররা ওয়াজ পর্যন্ত করছেন এটা নিয়ে এবং হাজার হাজার মানুষ সেটা শেয়ার পর্যন্ত দিচ্ছেন।’‘শনিবার বিকেল’ ছবিতে জাহিদ হাসান ও নুসরাত ইমরোজ তিশার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও লিখেন, ‘পরিষ্কার করে বলছি, শনিবার বিকেল ছবিতে জাহিদ হাসান এবং তিশার অভিনীত চরিত্র সন্ত্রাসীর নয়। তারা দুইজন ধর্মপ্রাণ মুসলমানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। একদল জ্ঞানপাপী অনলাইনে মিথ্যা বলেছেন যে, জাহিদ এবং তিশা সন্ত্রাসী চরিত্রে অভিনয় করেছেন এবং তাদের গায়ে ইসলামী লেবাস দেয়ার মাধ্যমে ইসলাম অবমাননা করা হয়েছে। ওই জ্ঞানপাপীরা আপনাদের বিভ্রান্ত করছে।’

ধর্মপ্রাণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে ফারুকী লিখেছেন, ‘আমরা দ্রুতই ছবির ট্রেলার ছাড়বো। তখনই পরিষ্কার হয়ে যাবে, যে এটার পেছনে একটা ভয়াবহ মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছে। বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ এবং ধর্মীয় নেতাদের প্রতি আমার আহ্বান, দয়া করে কারও খেলার গুঁটি হবেন না। দয়া করে কোনো মিথ্যা প্রচারণায় বিভ্রান্ত হবেন না।’সবশেষে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা জানি, সরকারের একটা বিশেষ সেল আছে গুজব প্রতিরোধের। তারা কি একটু খুঁজে দেখতে পারে এই মিথ্যাটা কারা ছড়ালো প্রথম?’

উল্লেখ্য, ‘শনিবার বিকেল’ ছবির প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা ও জাহিদ হাসান। এছাড়াও ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন ইরেশ যাকের, ভারতের পরমব্রত, ফিলিস্তিনের চলচ্চিত্র তারকা ইয়াদ হুরানিসহ আরও অনেকে। ছবিটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে বাংলাদেশ-ভারত-জার্মান।

ad

পাঠকের মতামত