250719

ভোটে কারচুপি প্রমাণ তুলে ধরতে টাকার বিনিময়ে ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করছে বিএনপি

নিউজ ডেস্ক।। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে অনিয়মের তথ্যপ্রমাণ আদালত ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে বিভিন্ন ভিডিও এবং ছবি সংগ্রহ করছে দলটি। নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ এমনকি ভোটে কাজ করা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও সংগ্রহ করা হচ্ছে এসব। এজন্য বেশ টাকা খরচ করছে বিএনপি। তবে অর্থের বিনিময়ে এসব তথ্য সংগ্রহে দলের কোনো সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেই। বিচ্ছিন্নভাবে নানা উপায়ে স্থানীয় পর্যায় থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে অনিয়মের তথ্যপ্রমাণ আদালত ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে বিভিন্ন ভিডিও এবং ছবি সংগ্রহ করছে দলটি। নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ এমনকি ভোটে কাজ করা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাছ থেকেও সংগ্রহ করা হচ্ছে এসব। এজন্য বেশ টাকা খরচ করছে বিএনপি। তবে অর্থের বিনিময়ে এসব তথ্য সংগ্রহে দলের কোনো সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেই। বিচ্ছিন্নভাবে নানা উপায়ে স্থানীয় পর্যায় থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। সূত্র: ঢাকা টাইমস

৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিএনপি ও তার শরিকরা আসন পেয়েছে আটটি। অন্যদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার শরিকরা আসন পেয়েছে ২৮৮টি। বিএনপি অবশ্য এই ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছে, আগের রাতে সিল মেরে এবং ভোটের দিন তাদের সমর্থকদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ায় জনগণ ভোট দিতে পারেনি। পরাজিত প্রার্থীরা হাইকোর্টে ফলাফলের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর মামলার জন্য তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে চাইছে বিএনপি। প্রতিটি আসনের পরাজিত প্রার্থীদের তথ্যপ্রমাণ যোগাড় করে ১০ জানুয়ারির মধ্যে কেন্দ্রে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। গতকাল পর্যন্ত ১২০টি আসনের বিষয়ে প্রতিবেদন পাওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা।

বিএনপির তৃণমূলের এক নেতা বলেন, ভোটে জালিয়াতির ইঙ্গিত পেয়ে ক্ষমতাসীন দলের একাংশের নেতাকর্মী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের হাত করতে আগে থেকেই কিছু অর্থ বরাদ্দ করা হয়। আগের রাতে ও ভোটের দিন কেন্দ্রে সরকারি দলের ব্যাজ পরে ‘অনিয়মের চিত্র’ গোপনে তুলে রাখার জন্য এই টাকা দেওয়া হয়। এর মধ্যে কিছু ভিডিও আমরা পেয়েছি। রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, আমাদের কাজ শেষ পর্যায়ে। এখন টাইপ চলছে। আশা করি, দুই-তিন দিনের মধ্যে অনিয়ম ও কারচুপির তথ্য বিস্তারিত কেন্দ্রে পাঠানো যাবে।

কোন প্রক্রিয়ায় এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে-জানতে চাইলে তিনি বলেন, পোলিং এজেন্ট, কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তবে টাকা দিয়ে ভিডিও কেনার বিষয়টি নাকচ করেছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আরা শিরিন। ঢাকা টাইমসকে তিনি বলেন, ভোট কারচুপির তথ্য আমরা টাকা দিয়ে কিনতে যাব কেন? জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি এতে তারাই আমাদের কাছে এসব ভিডিও ফুটেজ এবং ছবি দিচ্ছে। আমাদের টাকা দিয়ে এসব কিনতে হবে কেন? বিএনপির উত্তরাঞ্চলের একজন প্রভাবশালী নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অনেক ধরনের কৌশল নিতে হচ্ছে। প্রয়োজনে তাদের বাড়িতে এক দিন খেয়ে হলেও এসব সংগ্রহ করতে হচ্ছে। কারণ অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে এই তথ্য গুরুত্বপূর্ণ। উৎস: আমাদেরসময়.কম।

ad

পাঠকের মতামত