246567

অভিযোগগুলো বিএনপি সংসদে উত্থাপন করলে ভালো হতো : সাখাওয়াত হোসেন

নিউজ ডেস্ক।। সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বিএনপি’র জয়ী প্রার্থীরা চাইলে তাদের অভিযোগগুলোর দলিলাদি পার্লামেন্টে উত্থাপন করতে পারতেন। সেগুলো পার্লামেন্টে রেকর্ড হতো। তবে সময় শেষ হয়ে যায়নি। সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বিএনপি’র জয়ী প্রার্থীরা চাইলে তাদের অভিযোগগুলোর দলিলাদি পার্লামেন্টে উত্থাপন করতে পারতেন। সেগুলো পার্লামেন্টে রেকর্ড হতো। তবে সময় শেষ হয়ে যায়নি। এটিই যে তাদের শেষ সিদ্ধান্ত, সেটিও বলা যায় না। বৃহস্পতিবার বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্ট বা বিএনপি যতটুকু শুনেছি, ইনডিভিজুয়ালী অভিযোগ নিয়ে কোর্টের দ্বারস্থও হবেন। সেটি তো সাইড বাই সাইড চালানো যায়। বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে পার্লামেন্টে গেলে ভালো হতো, তবে তারা রাজনীতি করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে, তারাই ভালো বুঝবেন।

বৃহস্পতিবারের ঐক্যফ্রন্টের সভায় তর্ক-বিতর্ক হয়েছে, অনেকে নির্বাচনে যাওয়াটাই উচিত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন। তাদের এই অন্তর্কলহ কি আরো বাড়তে পারে? জবাবে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বাড়ার সম্ভাবনা আছে। আমাদের দেশের রাজনৈতিক নেতারা অধিকাংশই ব্যক্তিকেন্দ্রিক। খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার অবর্তমানে অনেকটা নেতৃত্বশূন্য হয়ে গিয়েছিলো তারা। ড. কামাল হোসেন আসার কারণে কিছুটা সুসংহত হয়েছে। কাজেই দেশের রাজনৈতিক দলগুলো যদি ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে যায় তাহলে অন্তর্দ্বন্দ্ব বেড়ে যায়। প্রবীন এই বিশেষজ্ঞ মনে করেন, অন্তর্দ্বন্দ্ব কমাতে রাজনৈতিক দলগুলোর গণতান্ত্রিক চর্চার প্রয়োজন আছে, যাতে অলটারনেটিভ লিডারশিপ গ্রো করতে পারে।

গণফোরামের ২ জন বিজয়ী বিএনপির সিদ্ধান্তের সঙ্গে কতদিন একমত থাকতে পারবেন বলে মনে করেন, জবাবে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভোটাররা ভোট দেয় মার্কা দেখে। ওখানে একজন ধানের শীষ নিয়ে, অপরজন জিতেছেন গণফোরামের মার্কা নিয়ে। এখন ধানের শীষ নিয়ে যিনি নির্বাচিত হয়েছেন, ওই ভদ্রলোকের পরিচয় কী হবে? ভোটাররা তো ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়েছে। তাই আলাদাভাবে সিদ্ধান্ত হয়তো উনি নিতে পারেন, কিন্তু নৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক হবে কী না সেটা ভোটাররা একসেপ্ট করবে কী না সেটা অনেক বড় কথা। উৎস: আমাদেরসময়.কম।

ad

পাঠকের মতামত