নড়বড়ে ফখরুল
নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে শুরুতেই দ্বন্দ্ব ছিল বিএনপিতে। একটি পক্ষ নির্বাচনের যাওয়ার পক্ষে আরেকটি পক্ষে ইসির বিরুদ্ধে আন্দোলনের পক্ষে ছিল। শেষ পর্যন্ত ঐক্যফ্রন্ট গঠনের পর ড. কামালদের পরামর্শে নির্বাচনে যায় বিএনপি। বলা হয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ আন্দোলনের অংশ। তবে নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্টের। এরপরই মূলত বিএনপির অপরপক্ষের তোপে পড়েছেন দলটির মাহসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।ভরাডুবির জন্য ফখরুলকে দায়ী করছেন তারা। একইসঙ্গে ওই অংশ ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনের সমালোচনায়ও মেতেছেন।
মূলত ২৫ ডিসেম্বরের পর থেকেই বিএনপির মধ্যে নির্বাচন বর্জনের দাবি জোরালো হয়। দলের সিংহভাগ শীর্ষ নেতাই ছিলেন, নির্বাচন থেকে সরে এসে থাকার অবস্থান গ্রহণের পক্ষে। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদসহ অধিকাংশই নেতা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণার জন্য প্রথমে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বলেন। চাপের মুখে তখন ফখরুল বলেছিলেন ২৭ তারিখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যদিও ২৭ তারিখেও তিনি নির্বাচনে থাকার ঘোষণাই দেন। এমনকি ভোটের দিন যখন প্রার্থীরা নির্বাচন বর্জন করেছিলেন তখন ফখরুল বলেছিলেন, ‘এটা তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।’
নির্বাচনের ভরাডুবির পর বিএনপি ফখরুলবিরোধীরা আবারও তৎপর। বৃহস্পতিবার নাইকো দুর্নীতি মামলার শুনানি চলার সময় খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন দলটির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য। বিএনপির ভরাডুবির জন্য এ সময় তিনি ফখরুলকে দায়ী করে তার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার কাছে অভিযোগ করেছেন। এমনকি দলটির লন্ডনে পলাতক নেতাও ফখরুলের ওপর ক্ষুব্ধ বলে জানা গেছে। সব মিলিয়ে বিএনপিতে ফখরুলের অবস্থা এখন নড়বড়ে। দলের মহাসচিব হিসেবে নানান প্রশ্নের মুখে পড়ছেন তিনি।




