শপথ না নিলে শূন্য হবে বিজয়ীদের আসন
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীরা শপথ না নিলে, সাংবিধানিক রীতি অনুসরণ করা হবে। তাই শপথ নেয়ার জন্য বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে কোন অনুরোধ জানানো হবে না। সংবিধান অনুযায়ী, একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্য যদি সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণে ব্যর্থ হন, তাহলে তার সদস্যপদ সয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশন তখন ওই আসনে পুনঃনির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, বিএনপি এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত ৮ জন সদস্য শপথ নেবে কিনা সেটা তাদের বিষয়। নির্বাচনী এলাকার জনগণ তাদের নির্বাচিত করেছে। কাজেই জনগণের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকলে, শপথ নেয়া তাদের দায়িত্ব।
বিএনপি এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যেই এখন শপথ গ্রহণ নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শরীক গণফোরাম এবং সুলতান মোহাম্মদ মনসুর শপথ গ্রহণে আগ্রহী। সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান মোহাম্মদ মনসুর গতকাল জানিয়েছেন যে, তিনি শপথ নিতে আগ্রহী। এলাকার জনগণ তাকে ভোট দিয়ে দায়িত্ব দিয়েছে। এই দায়িত্ব অস্বীকার করা হবে জনগণের সাথে বিশ্বাস ভঙ্গ। তিনি তার মত ড. কামাল হোসেনকেও জানিয়েছেন। ড. কামাল হোসেনও তার সাথে একমত হয়েছেন।তবে শপথ না নেয়ার ব্যাপারে অনড় অবস্থানে আছে বিএনপি। তারা শপথ নিয়ে এই নির্বাচনকে বৈধতা দিতে চান না বলে জানিয়েছেন দলের শীর্ষ নেতারা।




