আন্দোলনের নেতৃত্ব ও কর্মী কিছুই নেই বিএনপির : এইচ টি ইমাম
আন্দোলনের জন্য সঠিক নেতৃত্বের প্রয়োজন। সঠিক নেতৃত্ব কখনোই বিএনপির ছিলো না। অন্যের উপর নির্ভর করে ক্ষমতায় আসার সময় শেষ। আর আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা থাকতে হয়। তারা জনসম্পৃক্ত আন্দোলন না করে চোরাগুপ্তা হামলা করতে পারে। জনগণ তাদেরকে প্রতিহত করবে।প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেন, বিএনপি ডাক দিয়েছিলো ভোট কেন্দ্র দখল করে রাখাবে এবং ভোট বিল্পব ঘটাবে। ভোট কেন্দ্র দখল করে রাখাতো দূরের কথা, তারা এজেন্টই দিতে পারেন নাই। হাস্যকর বিষয়। আন্দোলনের নেতৃত্ব ও কর্মী কিছুই নেই বিএনপির, মঙ্গলবার বিবিসি নিউজকে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি যতই আন্দোলনের কথা বলুক কাজ হবে না। আন্দোলনের জন্য সঠিক নেতৃত্বের প্রয়োজন। সঠিক নেতৃত্ব কখনোই বিএনপির ছিলো না। অন্যের উপর নির্ভর করে ক্ষমতায় আসার সময় শেষ। আর আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা থাকতে হয়। তারা জনসম্পৃক্ত আন্দোলন না করে চোরাগুপ্তা হামলা করতে পারে। জনগণ তাদেরকে প্রতিহত করবে।তিনি আরো বলেন , আইনগত ভাবে বিএনপি কিছু করলে, সেটা নির্বাচন কমিশন দেখবে। তারা যদি রিট করে তাহলে নির্বাচন কমিশন পক্ষ হবে। আইনগতভাবে কমিশন লড়বে। বিএনপি এই আন্দোলন , রিট , নির্বাচন কমিশনকে স্মারকরিপি প্রদান করতেই পারে কারণ এটা গণতান্ত্রিক অধিকার আর এই সরকার গণতান্ত্রিক সরকার। তবে এবারের নির্বাচনে পরিস্কার হয়েছে তাদের নেতৃত্ব নেই ও কর্মীও নেই ।
বিদেশিদের সমর্থনের ব্যাপারে তিনি বলে, বিদেশি পর্যবেক্ষকরা এসেছিলেন। তারা সারাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছেন। তারা নতুন সরকারকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দিয়েছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন , অ্যমেরিকা ও ইউরোপিউ ইউনিয়ন আপত্তি জানাতে পারে। কিন্তু এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই । তবে বড় চাপ আসতে পারে বলে আমার মনে হয় না।সরকারের শপথ গ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি জানান, শপথ গ্রহণের ব্যাপারটা একটা প্রক্রিয়ার বিষয়। নির্বাচন কমিশন গেজেট প্রকাশ করার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে। গেজেট হয়ে গেলে সকল সংসদ সদস্যরা শপথ নিবেন। শপথ নেওয়ার পর সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করা হবে। পরে রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে জানালে, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দিবেন ।




