হারিয়ে গেছে হাসি ও খুশির হাসি
নিউজ ডেস্ক।। নাটোরের নলডাঙ্গায় ভোটকেন্দ্রে দ্বন্দ্বের জেরে ছুরিকাঘাতে নিহত আওয়ামী লীগ কর্মী হুসেন আলীর দুই মেয়ে হাসি ও খুশির মুখে হাসি নেই। বাবার মৃত্যুতে তারা শুধুই আহাজারি করছে। পরিবারের সদস্যদের একটাই দাবি, ঘাতক রতেনর যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়। গতকাল দুপুরে নলডাঙ্গা উপজেলার সমস কলসীতে হুসেন আলীর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় শুধুই আহাজারি। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের কোনো আশ্বাসেই থামছে না হাসি ও খুশির কান্না। গত রবিবার রাত ৯টায় হুসেন আলীর দাফন সম্পন্ন হয়। ছোট মেয়ে হাসির সামনেই ছুরিকাঘাত করা হয় হুসেন আলীকে। হাসি জানায়, পর পর তিনবার ছুরিকাঘাত করা হয় তার বাবাকে। এর পর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। হুসেন আলীর পরিবারকে সান্ত¦না জানাতে আসা সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, এলাকার শান্তি বিনষ্ট করতেই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে হুসেন আলীকে।
বিপ্রবেল ঘড়িয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ইব্রাহিম ম-ল আমাদের সময়কে জানান, হুসেন আলীর বাড়ি থেকে দুশ গজ দূরে সমাস কলসী উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে। হুসেন আলী ও তিনি ভোট দিতে যান। তার আগেই ভোট দিতে যান হুসেন আলীর ভাতিজা বিএনপি কর্মী রতন। রতন বুথের গোপন জায়গায় না গিয়ে প্রকাশ্যে ধানের শীষে ভোট প্রদান করেন। এ নিয়ে অন্য প্রার্থীর এজেন্টদের সঙ্গে রতনের তর্ক হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হুসেন আলী রতনকে চড় মারেন এবং কেন্দ্র থেকে বের করে দেন। ভোটকেন্দ্র থেকে বের হয়ে হুসেন আলী বাড়ির দিকে আসতেই তাকে ছুরিকাঘাত করে রতন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ব্যাপারে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত জানান, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা নিচ্ছে পুলিশ। পাশাপাশি রতনকে আটকের চেষ্টা চলছে। দৈনিক আমাদের সময়।




