245653

আইফোনের জন্য যুবকের কিডনি বিক্রি, এরপর যা হলো…

স্কুলের বন্ধুদের মধ্যে সেরা হওয়ার লড়াই চলতো, বিষয়টি আলোচনায় আসলে আমরা হয়তো অনেকেই মনে করতে পারি লড়াইটি অবশ্যই লেখাপড়ার। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে লেখাপড়ার এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় স্থান পেয়েছে আরও অনেক কিছুই।আধুনিক যুগে মোবাইলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা তেমনই একটি। আর সেই প্রতিযোগিতায় পাল্লা দিতে এক অভিনব পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন চীনের ১৭ বছর বয়সী স্কুলছাত্র জিয়াও ওয়াংয়, বিক্রি করে দিয়েছেন নিজের একটি কিডনি।ভারতের এক গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে এই ঘটনাটি চীনের। ১৭ বছরের স্কুলছাত্র জিয়াও ওয়াংয়ের বহুদিন ধরেই বাসনা ছিল আইফোন-৪ কেনার। বন্ধুদের অনেকেই এই ফোনটি কিনেছিল। কিন্তু এত দামি ফোন কেনার জন্য টাকা দিতে রাজি ছিল না জিয়াওয়ের পরিবার। শেষে ফোন কিনতে মারাত্মক সিদ্ধান্ত নিলেন ওই কিশোর।

ফোন কিনতে কিশোর যোগাযোগ করে কালোবাজারীর কারবারীদের সঙ্গে। এরপর তার কথাবার্তা হয় এক এজেন্টের সঙ্গে। সেখানেই ওই কিশোরকে কিডনি বিক্রি করে টাকা নেওয়ার পরামর্শ দেয় ওই এজেন্ট। টাকার জন্য সে প্রস্তাবে রাজিও হয়ে যায়। এর পরেই ওই এলাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়।চিকিৎসার কয়েক দিন পর থেকেই ওয়াং অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরিবারের লোকেরা স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতেই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। পরে মেডিকেল পরীক্ষার পরে জানা যায় ওই কিশোরের অপর কিডনিটিও কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে।ওয়াংয়ের বয়স এখন ২৪ বছর। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে ডায়লাইসিস চলছে তার। সারাদিন হাসপাতালে বিছানায় শুয়ে বেঁচে থাকার লড়াই করে যাচ্ছে ওয়াং। মোবাইল কেনার ইচ্ছা যেন তার জীবনে অভিশাপ হিসাবে নেমে এসেছে।

ad

পাঠকের মতামত