245003

কপাল খুলল না মান্নার

এবারের নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত বগুড়া থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মাহমুদুর রহমান মান্না। কিন্তু এবারও তার কপালে শিকে ছিড়লো না। পারলেন না সংসদ সদস্য হতে, ফলে সংসদে যাওয়া হচ্ছে নাসেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধাক সরকার আমলে সংস্কারপন্থি হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পর আওয়ামী লীগের পদ হারানো মান্না নতুন রাজনৈতিক সংগঠন নাগরিক ঐক্য গড়ে আলোচনায় ছিলেন কয়েক বছর ধরে।সাবেক দল আওয়ামী লীগের সমালোচনামুখর মান্না এবার কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সরকারবিরোধী মঞ্চ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

ঐক্যফ্রন্টের শরিক হিসেবে বগুড়া-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছিলেন মান্না। কিন্তু রোববারের নির্বাচনে তিনি হেরেছেন মহাজোটের প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকের শরিফুল ইসলাম জিন্নাহর কাছে, প্রায় এক লাখ ১০ হাজার ভোটের ব্যবধানে।রোববার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির বর্তমান সাংসদ জিন্নাহ পেয়েছেন ১ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ ভোট। আর মান্নার ধানের শীষে পড়েছে ৫৯ হাজার ৭১৩ ভোট।নির্বাচনে ‘পুলিশের পাহারায় কেন্দ্র দখল’ ও ধানের শীষের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ এনে পুনঃতফসিলের দাবি জানিয়েছেন মান্না।

রোববার দুপুরে বগুড়া শহরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, মহাজোট প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহর কর্মী সমর্থক ও পুলিশ কেন্দ্র দখল করে ধানের শীষের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। এরপর সবাই মিলে লাঙ্গল মার্কায় ইচ্ছেমতো সিল মেরেছে।বগুড়ার এই আসনেই এর আগে তিনটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মাহমুদুর রহমান মান্না। ১৯৯১ সালে জনতা মুক্তি পার্টি থেকে কাস্তে প্রতীকে লড়ে মাত্র দুই হাজার ১৮০ ভোট পেয়েছিলেন তিনি।এরপর আওয়ামী লীগ থেকে নৌকা প্রতীকে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ধানের শীষের প্রার্থীদের কাছে হেরে যান মান্না।

ad

পাঠকের মতামত