তানোরে নির্বাচনী সহিংসতায় আ.লীগ নেতা নিহত
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের তানোর উপজেলায় নির্বাচনী সহিংসতায় মোদাচ্ছের আলী (৪০) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছেন। রোববার দুপুর ১২টার দিকে পাঁচন্দর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামে মোহাম্মদপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।নিহত মোদাচ্ছের আলী মোহাম্মদপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি পাঁচন্দর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের হামলায় তিনি মারা গেছেন বলে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনার পর ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মোহাম্মদপুর উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মোরশেদ আলী মৃধা ভোটগ্রহণ স্থগিতের কথা নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, মোদাচ্ছের আলী ভোট দেয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ওই সময় হঠাৎ করেই জামায়াত-বিএনপির নেতাকর্মীরা লাঠি ও হকিস্টিক নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারিীরা ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত ভোটারদের এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। এ সময় লাঠির আঘাতে মোদাচ্ছের আলী গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পরে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে।
এদিকে রাজশাহী-১ আসনের তানোরে উপজেলা সদরের তানোর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও তানোর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র দখল করে নৌকার কর্মীরা। পুলিশের সামনেই জালভোট দেয়ার সময় ধানের শীষের এজেন্টরা তাদের বাধা দেন। ঘটনা জানাজানি হলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গুলি ও টিয়ারশেল ছুড়ে বিশৃঙ্খলাকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ ঘটনায় অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।বিষয়টি স্বীকার করলেও এনিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তানোর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম।এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় মিরাজুল ইসলাম (২২) নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।




