হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে নৌকা ধানের শীষের মধ্যে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুরের হেভিওয়েট প্রার্থীর তিনটি আসনের ভোটের মাঠে নৌকা আর ধানের শীষের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এমনটাই বলছেন সাধারণ ভোটাররা। এছাড়া দিনাজপুর সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর প্রার্থীতা হাইকোর্ট কর্তৃক স্থাগিত করার কারণে নৌকার তেমন বেগ পেতে হবে না ।এ তিনটি আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি ও বিএনপির নবীন প্রার্থী সাদিক রিয়াজ পিনাক, দিনাজপুর-৪ (চিরিরবন্দর-খানসামা) আসনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী এমপি ও বিএনপির সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান মিয়া এবং দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী) আসনের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার এমপি ও বিএনপির জেলা কমিটির আহ্বায়ক সাবেক এমপি এজেডএম রেজওয়ানুল হক।
এ ছাড়াও ভোটের মাঠে নির্বাচনী উত্তাপ ছড়াচ্ছে দিনাজপুর-২ আসনে আরও তিনজন, দিনাজপুর-৪ আসনে ৫ জন এবং দিনাজপুর-৫ আসনে চার প্রার্থী।দিনাজপুর -১ ( বীরগঞ্জ কাহারোল ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রাথী বর্তমান সাংসদ মনোরঞ্জন শীল গোপাল ও ২০ দলীয় প্রার্থী জামায়াত নেতা বীরগঞ্জ পৌর সভার সাবেক মেয়র মাওলানা মুহাম্মদ হানিফ । দিনাজপুর -৬ ( বিরামপুর নবাবগঞ্জ হাকিমপুর ঘোড়াঘাট ) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী বর্তমান সাংসদ শিবলি সাদিক ও ২০ দলীয় প্রাথী জেলা জামায়াতের আমির আনোয়ারুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে ।এ ছাড়াও ভোটের মাঠে নির্বাচনী উত্তাপ ছড়াচ্ছে দিনাজপুর-১ আসনে আরও ৪ জন, দিনাজপুর-৬ আসনে আরোও ২ জন প্রার্থী।
এসব আসনে বিএনপির তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করেন, শত প্রতিকূলতার মাঝেও সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন হয় এবং ভোট চুরির মতো যদি কোন ঘটনা না ঘটে তবে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তারা।অপরদিকে আওয়ামী লীগ তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করেন, বিগত ১০ বছরে এসব আসনে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। যা অতীতে কখনো হয়নি। এ কারণে জনগণ আবারও নৌকা প্রতীককে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করবেন।এদিকে, সাধারণ মানুষের মাঝে উৎসাহ উদ্দীপনা থাকলেও তারা কোন প্রার্থীকে বেছে নিচ্ছেন বা ভোট দিবেন এ ব্যাপারে বলতে নারাজ। তবে ভোটাররা যাতে নিরাপদে ভোট দিতে পারেন এটাই তারা আশা করছেন। অবশ্য অনেকেই বলেছেন, এসব আসনে নৌকা আর ধানের শীষের মধ্যে ভোটের লড়াই হবে। তবে শেষ পর্যন্ত জনগণ কাকে এইসব আসনের প্রতিনিধি বেছে নিবে বা শেষ হাসিটা কার তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।




