৩০ ডিসেম্বর হবে আরেক বিজয়ের দিন : ড. কামাল
ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে প্রশাসনকে দলীয়করণ করবে না, দলীয়করণ থেকে মুক্ত হতেই আমরা এক হয়েছি। দলীয়করণ মানে জমিদারি, ভোট দিয়ে এ থেকে মুক্ত হবো। ধানের শীষে ভোট দিলে এ থেকে মুক্ত হবেন।অবেশেষে নির্বাচনে থাকার বিষয়টি পরিষ্কার করেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। নির্বাচনের দুইদিন আগে ফ্রন্ট প্রধান ড. কামাল হোসেন ধানের শীষে ভোট চেয়ে বলেন, ধানের শীষ দলের নয়, সবার ঐক্যের প্রতীক। ৩০ ডিসেম্বর ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে জনগণের বিজয় হবে। ১৬ ডিসেম্বরের পর ৩০ ডিসেম্বর দেশে আরেকটি বিজয় দিবস পালিত হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ঐক্যফ্রন্টের কার্যালয় নয়া পল্টনে ফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন কামাল হোসেন। এসময় ঐক্যফ্রন্টের প্রায় সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।পরিবর্তনের পক্ষে সারাদেশে বিপুল সাড়া পড়েছে দাবি করে কামাল হোসেন বলেন, এই নির্বাচন শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের। আমাদের বাস্তব ভিত্তি শহীদদের স্বপ্ন। উন্নয়নের কথা আর কত শুনব। উন্নয়নের মধ্যে গণতন্ত্র না থাকলে তা অর্থ পূর্ণ হয় না। উন্নয়নের কোনো অর্থই থাকে না, যদি মানুষের অধিকার না থাকে। গণতন্ত্রকে বাইরে রেখে উন্নয়নের কথা স্বৈরশাসকদের কথা। আইয়ুব খানের সময়ে ১১ শতাংশ প্রবৃদ্ধির হার থাকার পরেও, ৬ দফা থেকে পিছিয়ে যায়নি। আমরাও সরকারের উন্নয়নের কথায় ভোটের অধিকার থেকে সরব না। উন্নয়ন ছিল আইয়ুব খানের প্রত্যাখ্যাত বক্তব্য।
কোন দলের স্বার্থে না, জনগনের স্বার্থে প্রশাসনকে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে কামাল হোসেন বলেন, ঐক্যফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে প্রশাসনকে দলীয়করণ করবে না, দলীয়করণ থেকে মুক্ত হতেই আমরা এক হয়েছি। দলীয়করণ মানে জমিদারি, ভোট দিয়ে এ থেকে মুক্ত হবো। ধানের শীষে ভোট দিলে এ থেকে মুক্ত হবেন।এসময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ইতিমধ্যেই সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছে। সেজন্য প্রশাসনের ওপর ভর করেছে। দেশের মানুষ পরিবর্তন দাবিতে ঐক্যবদ্ধ।ঐক্যফ্রন্টের নেতা বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, ধানের শীষের প্রার্থীদের নাজেহাল করা হচ্ছে, নিপিড়ন করেছে, কিন্তু মানুষ দমে যায়নি। নির্বাচন কমিশন নিন্দিত হবে। ইতিহাসের বিশ্বাসঘাতকদের তালিকায় স্থান পাবে বর্তমান ইসি।সংবাদ সম্মেলনে শেষে ধানের শীষের ছড়া ধরে ভোট চান কামাল হোসেনসহ অন্যরা।




