242675

ফারুকের বিরুদ্ধে করা পার্থের রিট খারিজ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আকবর হোসেন পাঠানের (চিত্রনায়ক ফারুক) প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।বুধবার হাইকোর্টর বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলম সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ রিটটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন।ঋণ খেলাপি হওয়ার পরও নির্বাচন কমিশনে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন একই আসেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থের আইনজীবী সাজেদ শামীম।

পার্থের আরেক আইনজীবী ব্যারিস্টার আহসানুল করিম বলেন, আদালত আমাদের বলেছেন, ঋণ খেলাপির কারণে নির্বাচনের পরেও প্রার্থীর মনোনয়নপত্র চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়েরের সুযোগ রয়েছে। তাই আমরা আমাদের রিট আবেদনটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ আবেদন করি। আদালত আমাদের আবেদন মঞ্জুর করেছেন। এ আদেশের ফলে নির্বাচনের পরেও পুনরায় ঢাকা-১৭ আসনে নৌকার প্রার্থী চিত্রনায়ক ফারুকের মনোনয়নপত্র বাতিল চেয়ে রিট দায়েরের পথ খোলা থাকলো।রিট আবেদনে ফারুকের মনোনয়ন স্থগিতের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না তা জানাতে রুল জারির নির্দেশনা চাওয়া হয়।

রিট আবেদন থেকে জানা গেছে, আকবর হোসেন পাঠান ফারুক ডাইং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। রাজধানীর মতিঝিলের স্থানীয় শাখা থেকে তিন প্রতিষ্ঠানটির নামে ৫ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন। তার একক ঋণ হিসাবে সোনালী ব্যাংকের ৩৬ কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিল হয়নি।হলফনামার ঘরে একক ঋণের বিষয়টি স্বীকার করলেও তিনি খেলাপি ঋণের পরিমাণ উল্লেখ করেননি। এ সংক্রান্ত কলামে তিনি ‘প্রযোজ্য নয়’ বলে এড়িয়ে গেছেন। কিন্তু পাশের কলাম বা ঘরে গৃহীত ঋণ পুনঃতফসিল না হওয়ার একটি ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘২৭-০৬-২০১৩ হইতে ৩১-০৩-২০১৪ বহুবার আবেদন করেও ব্যাংক কর্তৃক আবেদন গৃহীত হয়নি কেন জানতে পারলাম না।’

ad

পাঠকের মতামত