আওয়ামী লীগ উন্নয়নের রাজনীতি করে : শেখ হাসিনা
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়নের জন্য কাউকে তাগাদা দিতে হয় না। আওয়ামী লীগ উন্নয়নের রাজনীতি করে। দেশের জন্য, দেশের জনগনের জন্য কাজ করে। এই দশ বছরে যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন, জঙ্গী-সন্ত্রাসবাদ দমনসহ সব ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নয়ন সাধন করেছে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হলে আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে আবারো সরকার গঠন করার সুযোগ দিন।নওগাঁ জেলার ৬টি আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত এমপি প্রার্থীদের এবং জেলার মানুষের সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কথা বলেন। বুধবার বিকেলে নওগাঁ নওজোয়ান মাঠে জনসভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জনসভায় নওগাঁবাসীর কাছে প্রধান মন্ত্রী বিগত ১০ বছরে সারাদেশসহ নওগাঁর উন্নয়নের কথা তুলে ধরে আগামী ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে নওগাঁ জেলার ৬টি আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহবান জানান।তিনি আরো বলেন তিনি আবারও ক্ষমতায় আসলে নওগাঁয় একটি ইকোনমিক জোন, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, নওগাঁ শহরকে যানজট মুক্ত করতে পৃথক বাস ও ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ এবং গ্যাস সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।তিনি উল্লেখ করেন, নওগাঁ একটি কৃষিনির্ভর জেলা। বিশেষ করে ধান উৎপাদনের জেলা। কৃষি ক্ষেত্রে আরও উন্নত পরিকল্পনা কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সে ব্যাপারে তিনি উদ্যোগ গ্রহণ করার আশ্বাস প্রদান করেন। এক্ষেত্রে তিনি বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে তোল্রা ক্ষেত্রে কৃষি জমি পরিহার করে অব্যবহৃত ও অনুর্বর জমি ব্যবহারের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। সারা দেশের এই সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার আহবান জানান এবং তাদের পরিচয় করিয়ে দেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেক এমপি, নওগাঁ-৫ আসনের (সদর) প্রার্থী ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দীন জলিল জন, নওগাঁ-১ আসনের প্রার্থী সাধন চন্দ্র মজুমদার ও নওগাঁ-২ আসনের প্রার্থী জাতীয় সংদের হুইপ শহীদুজ্জামান সরকারের সাথে সরাসরি কথা বলেন।এ সময় নওগাঁ-৪ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী ইমাজ উদ্দীন, নওগাঁ-৩ আসনের প্রার্থী ছলিম উদ্দীন তরফদার, নওগাঁ-৬ আসনের প্রার্থী ইসরাফিল আলম, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম ফজলে রাব্বী বকুসহ জেলার ও উপজেলার আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, মহিলালীগ, ছাত্রলীগসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




