সেনাবাহিনীর হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে: ঐক্যফ্রন্ট
‘নির্বাচন মাঠের পরিবেশ ভয়ংকর খারাপ’ এমন কথা জানিয়ে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী সেলের সমন্বয়কারী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘সেনাবাহিনী নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে। তাদের (সেনাবাহিনী) হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে।’ মঙ্গলবার আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন অফিসে প্রধান নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক বর্জন করে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।নির্বাচনের পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য সেনাবাহিনী মাঠে নামানোর দাবি জানায় ঐক্যফ্রন্ট। কিন্তু গতকাল সেনাবাহিনী মাঠে নামার পরেও কেন নির্বাচনের মাঠের পরিবেশ নিয়ে এতো অভিযোগ? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীকে ক্যাম্পে রেখে, নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করলে, তাদের (সেনাবাহিনী) সুনাম নষ্ট হবে।’
ড. কামালের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনে আসেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস ও ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ডা. জাফরুল্লাহ।বৈঠক থেকে বেরিয়ে গিয়ে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের প্রথমে জানান, বিএনপি কর্মীদের গ্রেফতার, আক্রমণ, আহত ও হত্যা করা হচ্ছে। নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। সারা দেশের পরিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতির কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না প্রধান নির্বাচন কমিশন এমন অভিযোগ এনে ফখরুল বলেন, সরকার ও কমিশন মিলে নির্বাচনকে বানচাল করার চেষ্টা করছে।
আর মাত্র ৩ দিন নির্বাচনের বাকি আছে এখনো গ্রেপ্তার, অত্যাচার, নির্যাতন বন্ধ না হলে ভোটাররা কিভাবে ভোট দিবে এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব। একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়ে গেছে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, কমিশন ও সরকার মিলে নির্বাচনকে প্রহসনের দিকে নিয়ে গেছে৷এ সময় ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আজ ঢাকা-৬ আসনের ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী সুব্রত চৌধুরী চার্চে গেছেন। সেখানেও লাঠি নিয়ে দাঁড়ানো ছিলো। একই বক্তব্যে তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, পুলিশ লাঠিয়াল বাহিনীর কাজ করছে। পুলিশ নিরাপত্তা না দিক। কিন্তু লাঠিয়াল বাহিনী হবে কেন? প্রশ্ন করেন ডা. জাফরুল্লাহ।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন ঐক্যফ্রন্টকে বাধ্য করছে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য। সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল




