‘সশস্ত্র বাহিনী কোনো দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে না’
নিউজ ডেস্ক।। সশস্ত্র বাহিনী কোনো দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আজ সোমবার থেকে সারাদেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তিনি গতকাল গণমাধ্যমে বিবৃতি দেন।
অন্য এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি আমি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।
আজ সোমবার বিকাল ৪টায় নির্বাচনের চলমান পরিস্থিতিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করবেন ড. কামাল। ঐক্যফ্রন্টের সমন্বয় কমিটির দপ্তরের দায়িত্বে থাকা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু এ তথ্য জানান। ড. কামাল হোসেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে গতকাল তিনি বলেন, আশা করছি, সেনাবাহিনী জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে না অথবা কোনো ব্যক্তি বা দলের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে না।
ড. কামাল আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনীকে অবশ্যই সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগের ক্ষেত্র (লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড) সৃষ্টি এবং ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে হবে। ড. কামাল আশা প্রকাশ করে বলেন, সেনা মোতায়েন দেশে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি করবে, যা এখন পর্যন্ত অনুপস্থিত। এদিকে দলটির সহদপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়োগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। আমরা আন্তরিকভাবে বিশ^াস করি, সেনাবাহিনী নিয়োগের ফলে নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ সৃষ্টি হবে, যা এতদিন মোটেও ছিল না।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আশা করি, আমাদের দেশের গর্বিত সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য জনগণের স্বার্থের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন এবং কোনোভাবেই একজন ব্যক্তি বা একটি গোষ্ঠীর পক্ষে কাজ করবে না। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময়ই দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত; কোনো ব্যক্তির স্বার্থ রক্ষায় তাদের সুনাম ক্ষুণœ হতে পারে না। বিএনপি মহাসচিব বলেন, নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি আমি জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি। উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।




