কবর থেকে তোলা হলো গৃহকর্মী সীমার মরদেহ
রংপুরে গৃহকর্মী সীমা আক্তারের (১৪) মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। দাফনের পাঁচদিন পর শনিবার দুপুরে আদালতের নির্দেশে তার মরদেহটি তোলা হয়।কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, রংপুর- মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি কাওছার জামান বাবলার বোন লাবনী আক্তার তার স্বামীসহ নগরীর মুন্সিপাড়ায় বসবাস করেন। সীমা ওই বাড়িতে গৃহপরিচারিকা হিসেবে ছিল। গত শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ওই বাড়িতে সীমাকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। তিনদিন তার মরদেহ ফ্রিজে লুকিয়ে রাখা হয়। পরে বিএনপি নেতা বাবলুর মধ্যস্থতায় মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিহত সীমার পরিবারের লোকজনকে ম্যানেজ করে গোপনে কাউনিয়া উপজেলার আলুটারী নোয়াখালী পাড়ায় সীমার মরদেহ দাফন করা হয়।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় সীমার মা মোমেনা বেগম বাদী হয়ে ৯ জনের নামে থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ গত মঙ্গলবার রাতে মাহিগঞ্জের নিজ বাড়ি থেকে বাবলাকে এবং মুন্সিপাড়া থেকে বাবলার বোন লাবনী আক্তার ও তার স্বামীসহ আম্বিয়া নামে অপর এক গৃহকর্মীকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য সীমার মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে ওসি জানান।




