240095

নৌকার প্রচারণায় ফারুক হত্যা মামলার আসামি

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে নৌকার প্রচারণায় নেমেছেন টাঙ্গাইলের আলোচিত মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার ফেরারি আসামি সহিদুর রহমান খান মুক্তি। আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে তিনি ঘাটাইলের বিভিন্ন এলাকায় নৌকার পক্ষে ভোট চাচ্ছেন। সভা-সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন।পুলিশের খাতায় পলাতক থাকলেও দুর্দান্ত প্রতাপেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। দীর্ঘ ৩ বছর পলাতক থাকার পর তার বাবা আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতাউর রহমান খানের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন।এদিকে এই আসনের এমপি আমানুর রহমান খান রানা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত প্রধান আসামি। বর্তমানে তিনি অভিযুক্ত হয়ে কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। এমপি রানা ও মুক্তিসহ তার অপর তিন ভাইও এই মামলায় ফেরারি।

অপরদিকে মুক্তি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রচারণা এবং মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ১৭ ডিসেম্বর ঘাটাইল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শ্রমিক লীগের কর্মী সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি। এ ছাড়াও ১৩ ডিসেম্বর ঘাটাইল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের কর্মী সমাবেশে যোগ দেন।এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক সহিদুল ইসলাম লেবু বলেন, আমরা নৌকার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছি, মুক্তিও তার বাবার পক্ষে কাজ করছেন । তবে তিনি জামিনে আছেন কিনা জানা নেই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার বাদী ফারুক আহমেদের স্ত্রী নাহার আহমেদ প্রশ্ন রাখেন, প্রশাসনের সামনে খুনি মুক্তি কিভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়? তিনি বলেন, এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে, যার প্রভাব নির্বাচনে পড়বে।

বিএনপি প্রার্থী লুৎফর রহমান খান আজাদ এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জানতে চাইলে আজাদ বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থী আতাউর রহমান খান সন্ত্রাসীদের দিয়ে আমার মাইক ভাংচুর ও কর্মীদের মারধর করেছে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিলেও কাজ হচ্ছে না।সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিলরুবা আহমেদ বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি দেখার জন্য ঘাটাইল থানায় পাঠিয়েছি।ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাকসুদুল আলম বলেন, মুক্তি এলাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে শুনেছি। তবে ওপরের কোনো নির্দেশনা পাইনি। তিনি জামিনে আছেন কিনা আমার জানা নেই। সূত্র: যুগান্তর

ad

পাঠকের মতামত