ড. কামাল কি শহীদ মিনারে ওঠার অধিকার রাখেন? : শাহরিয়ার কবির
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেছেন, ড. কামাল হোসেন শহীদ মিনারে যাওয়ার অধিকার রাখেন কিনা সেটা ভাবার বিষয়। দেশের সকল রাজাকার- যুদ্ধাপরাধী, ড. কামাল হোসেন এবং বিএনপির যে সকল মুক্তিযোদ্ধা, সবাই ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে আজ একাকার হয়েছে। শুক্রবার রাতে ডিবিসি নিউজের এক আলোচনায় তিনি একথা বলেন।তিনি বলেন, ড. কামাল হোসেন আজ তরুণ সাংবাদিকদের হুমকি দিচ্ছেন তার কথা শুনে আমাদের ভয় হয়। তিনি বলেছেন ‘ দেখে নেবো’ খামোশ। তিনি হিটলারের ভাষায় কথা বলছেন। ফ্যাসিজমের আলামত দেখতে পাচ্ছি। এই যদি হয় ঐক্যজোটের সরকার, তাহলে দেশকে কোথায় নেবে সেটা ভাবার বিষয়। সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা যারা বিএনপি করতো তারা আজ কাঁদছে, তাদের ধানের শীষ আজ সরাসরি রাজাকারের হাতে চলে গেলো।
তিনি আরো বলেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার পর বিএনপি সরকার একটা তদন্ত কমিটি গঠন করে। কিন্তু ড. কামাল হোসেই সেই কমিটি মানেননি এবং তিনি নিজে একটা স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তিনি ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার জন্য বিএনপি সরকারকে দায়ী করেন। সেই কামাল হোসেন আজ তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।তিনি উল্লেখ করেন, একাত্তরের সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনা হলো, ডা. আলীম চৌধুরী চক্ষু বিশেষজ্ঞ ছিলেন তারা তার চোখ উপড়ে ফেলেছে, ডা. ফজলে রাব্বি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন তার হৃদপিন্ড উপড়ে ফেলেছে এবং কবি সেলিনা পারভিন কবিতা লিখতেন তার আঙুল কেটে ফেলেছিলো। এই ঘটনার পরেও কি আমরা সেই ঘাতকদের ভুলে যাবো।
তিনি আরো জানান, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাকারী ও ৭১-৭৫ এর যাবতীয় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মদতদাতা এবং বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে ড. কামাল হোসেন। তিনি ৭২ এর সংবিধানের অন্যতম রচয়িতা এবং সেই সংবিধানেই জামায়াত- রাজাকারদের এদেশে রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো।তিনি জানান, একাত্তরের ১৫ নভেম্বর থেকে পাকবাহিনীরা তালিকা করে আমাদের জাতীয় সবচেয়ে মেধাবীদের ধরে ধরে হত্যা করা হয়। এই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করার জন্য আলবদর ঘাতকরা রাওফরমানের সঙ্গে বসে এই তালিকা করা হয়। হাজার হাজার বুদ্ধিজীবীদের লাশ নদীতে ফেলে দিয়েছে অনেকরই লাশ খুঁজে পাওয়া যায়নি।




