237361

পরিস্থিতির অনেকাংশে উন্নতি হবে নির্বাচনে সেনাবাহিনী নামলে

নিউজ ডেস্ক।। নির্বাচনের বাকি আর ১৭ দিন। প্রতীক বরাদ্দের পরপরই প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় প্রচার প্রচারণা চালাতে শুরু করেছেন। কিন্তু সেই প্রচার প্রচারণা কতটুকু শান্তিপূর্ণ হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে সর্বত্র। বিএনপির পক্ষ থেকে বারবার অভিযোগ করা হচ্ছে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো হয়নি। নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার অব্যাহত রয়েছে। সাধারণ মানুষ ও ভোটারদের ধারণা ১৫ ডিসেম্বর সেনাবাহিনী মাঠে নামলে বর্তমান পরিস্থিতির অনেক পরির্বতন হবে। আর রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, সেনাবাহিনী নামানো হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরিতে সহায়ক হবে।

বতমান পরিস্থিতির অনেকাংশে পরির্বতন হতে পারে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এই ফ্রন্টেরও আস্থা সেনাবাহিনীর প্রতি। ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবির অন্যতম একটি প্রধান দাবি বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রহুল কবির রিজভী জানান, নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দের পর প্রচারণা শুরুর দিনেই বিএনপি নেতাকর্মীদের উপর সশস্ত্র আক্রমণ শুরু করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বিভিন্নস্থানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থীদের প্রচারণার মাইক ভাংচুর এবং বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাংচুর করেছে।

তিনি অভিযোগ করেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতেই আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বিএনপি নেতা-কর্মীদের উপর গুলি করে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে রক্তাক্ত করেছে। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হলেও রাজধানীসহ সারাদেশে পুলিশী তান্ডব থামছেই না। বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি হামলা, গ্রেফতার ও গুম বন্ধ হচ্ছে না। পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশ এখন ভয়ংকর আতংকের নাম। নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রচারণার ন্যুনতম পরিবেশ তৈরি করতে ব্যর্থ হওয়ায় এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত না করতে পারায় এসব হামলা হচ্ছে। সরব এবং নিরব সন্ত্রাসে জনগণের উদ্বেগ ও আতংক কাটছে না। তিনি বলেন, কুষ্টিয়াতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের একজন নেতার বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিএনপি’র কেউ ভোট চাইতে গেলে এই সন্ত্রাসী নেতা প্রকাশ্যে তাদের পিঠের চামড়া তুলে নেয়ার কথা বলেছেন। এই নেতাদের মতো অসংখ্য সন্ত্রাসীদেরকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় নির্বাচনী মাঠে ছাড়া হয়েছে।

ad

পাঠকের মতামত