237241

ভোটের উত্তাপে পরিবেশ যেন উত্তপ্ত না হয়: সিইসি

ভোটের উত্তাপে পরিবেশ যেন উত্তপ্ত না হয় সেদিকে নজর রাখতে দায়িত্বপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা। মঙ্গলবার সকালে আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।সিইসি কেএম নূরুল হুদা বলেন, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, লক্ষ্য রাখতে হবে উত্তাপের এই পরিবেশ যেনো উত্তপ্ত না হয়। উত্তপ্ত হয়ে নির্বাচনি পরিবেশ যেনো ব্যাহত না হয়, ব্যাঘাত না ঘটে।সাধারণ মানুষ ও বিচারকদের মধ্যে একটা অদৃশ্য কৃত্রিম দেয়াল ছিল উল্লেখ করে কেএম হুদা বলেন, বিচারক ও বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে দেয়াল থাকার প্রয়োজন ছিল না। নির্বাচনে দায়িত্বপালনের মাধ্যমে সেই দেয়াল আরো কিছুটা শিথীল হবে। মানুষের কাছাকাছি গিয়ে বুঝতে পারবেন তারা কি চায়। এ প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে দায়িত্বপালনের ক্ষেত্র আরো প্রশস্ত হবে।

তিনি আরো বলেন, বিচারকদের মানুষের সঙ্গে মিশলে কোনও ক্ষতি নেই। মিক্সড আপ হবেন না। আপনার ব্যক্তিত্ব কতটা শক্তিশালী তার ওপর নির্ভর করে আপনি প্রভাবিত হবেন কি হবেন না। আইন, বিবেক আছে, আপনাদের জ্ঞান, প্রজ্ঞা, ব্যক্তিত্ব প্রয়োগ করে একটি সুন্দর ও সাবলীল নির্বাচন করতে পারবেন।জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমাদের কাজ হলো সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ করা, যেনো কোনো সংঘাত না হয়, ভুল বুঝাবুঝি না হয়। সবাই যেন নির্বাচনি আচরণ বিধি মেনে চলেন, সেটা বুঝিয়ে দেওয়া।তিনি আরো বলেন, একটা বিষয় মনে রাখতে হবে নির্বাচনের আগের দিন ও নির্বাচনের দিন যতটা না সংঘাত হয় না। নির্বাচনের পরের সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ভোটের দিনের থেকে বেশি সংঘাত হয় পরের দিন। অতি উৎসাহী লোক ও প্রতিহিংসা পরায়নতার কারণে এসব হয়ে থাকে। ভোটের পরের দিন মিছিলের কারণে অনেকের মনে আঘাত লাগে, অনেকে কষ্ট পায়। এতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট হয়। আপনারা এ বিষয়টি খেয়াল রাখবেন, সজাগ থাকবেন। নির্বাচনি আইনে আছে নির্বাচনের পরের দিন কোনো শোডাউন হবে না। এটাকে কঠোরভাবে দেখতে হবে।সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে থাকবে বলে সিইসি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, হাজার হাজার মানুষ থাকবে। সব রাজনৈতিক দল একটি ইতিবাচক মনোভাব (পজিটিভ অ্যাটিটিউড) নিয়ে নির্বাচনের কাজ শুরু করে দিয়েছে। এত বড় নির্বাচনে এখন পর্যন্ত কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি। বিচারকেরা মাঠে থাকলে আর কোনো সংঘাত ঘটবে না বলে তিনি মনে করেন।

ad

পাঠকের মতামত