234546

তিনটি আসনেই খালেদার মনোনয়নপত্র বাতিল

দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত হওয়ার কারণে তিনটি আসনের বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়পত্র বাতিল করা হয়েছে। ফেনী-১ এবং বগুড়া-৬ ও ৭ আসনে খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে মনোনয়ন জমা দিয়েছিল বিএনপি। তিনটি আসনেই বিকল্প প্রার্থী রেখেছিল বিএনপি।রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দুটি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজার কথা উল্লেখ করে ফেনীর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদ উজ জামান জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। একই কারণ দেখিয়ে বগুড়া-৬ ও ৭ আসনে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করে বগুড়া রিটার্নিং কর্মকর্তা।

খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বতিলের ঘটনা ‘সরকারের নীলনকশা’ বলেছে বিএনপি। মনোনয়নপত্র বাতিলের পর দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।তিনি বলেন, এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও দুরভিসন্ধিমূলক। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে বিপুল জনপ্রিয়তা, সেই জনপ্রিয়তা থেকে তাকে দূরে সরানোর যে মাস্টার প্ল্যান সরকার করেছেন, যে নীলনকশার অংশ বলে আমরা মনে করি। খালেদা জিয়া ফেনী-১, বগুড়া-২, বগুড়া-৩ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এই আসনে বিকল্প হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মজনু মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মনোনয়নপত্র বাতিলের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, শুধু দেশনেত্রীর মনোনয়নপত্র বাতিলই নয়, ঢাকা-৬ আসনে সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন ও ঢাকা-২ আসনে নবাবগঞ্জের উপজেলা পরিষদের সদ্য পদত্যাগকারী চেয়ারম্যান আবু আশফাক খন্দকার ও দিনাজপুর-৩ আসনে সদ্য পদত্যাগকারী জাহাঙ্গীর হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এভাবে বেছে বেছে জনপ্রিয় প্রতিনিধিদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হচ্ছে। এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, ধারাবাহিক ঘটনা। সরকার পরিকল্পনা করেছে যে, একতরফা নির্বাচন করবে, গায়ের জোরে নির্বাচন করবে এবং জোর করে ক্ষমতায় থাকবে। আবু আশফাক খন্দকার, জাহাঙ্গীর হোসেন ও ইশরাক হোসেনের মনোনয়নপত্র গ্রহণের দাবি জানান রিজভী।

তিনি বলেন, সরকার ক্ষমতার মায়ায় যেভাবে বুঁদ হয়ে আছে, ক্ষমতার নেশায় যেভাবে বুঁদ হয়ে আছে সেখানে শেখ হাসিনা কখনো অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চাইবে না। তারপরও আমি বলব, সকল বাঁধ ভেঙে জনগণ এগিয়ে আসবে। তিনি বলেন, এখনো সরকারকে হুঁশিয়ার করছি যে, স্থানীয় সরকারের যে প্রধান তিনি যখনই পদত্যাগ করবেন তখন তা গৃহীত হবে- এটা আইন। এই আইন ভঙ্গ করে আপনারা যে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন তার পরিণতি ভালো হবে না।

ad

পাঠকের মতামত