পাল্টে গেলো বিএনপির প্রার্থী!
নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে প্রার্থী নিয়ে তৃণমূল বিএনপিতে ক্ষোভ বাড়ছে। নির্বাচনে এখানে আলোচিত শামীম ওসমান আওয়ামী লীগের প্রার্থী হওয়ায় আগ্রহ রয়েছে সবার।তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, শামীম ওসমানের বিপরীতে লড়াই করার মতো যোগ্য সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিন। প্রত্যাশাও ছিল বিএনপি তাকে মনোনয়ন দেবে।কিন্তু, কেন্দ্র থেকে শাহ আলমকে দলীয় মনোনয়নের চিঠি ইস্যু করায় নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা নেমে এসেছে। তারা শাহ আলমকে আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মেনে নিতে পারছেন না।
অবশ্য একাধিক সূত্রের দাবি, শেষতক নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হবেন গিয়াস উদ্দিনই। নির্বাচনী কৌশল হিসেবে ঘোষণা পাল্টে ৮ ডিসেম্বর চূড়ান্তভাবে তার নামই আসবে।সংশ্লিষ্টরা জানান, ২৮ নভেম্বর দুপুরে বিএনপির প্রভাবশালী এক নেতার ফোন পান গিয়াস উদ্দিন। তিনি তাকে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বলেন। এরপরই বিকেল ৩টার দিকে গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়।এ বিষয়ে সাংবাদিকদের গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। নিশ্চিতভাবেই নির্বাচনও করছি। বাকিটা দলের ইচ্ছে, ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, দেখুন কি হয়! রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই।
দল সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করলে নির্বাচন করবেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, যা বলার বললামতো, ৮ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করেই দেখুন না।ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক খোন্দকার মনিরুল ইসলাম বলেন, গিয়াস উদ্দিন দক্ষ রাজনীতিক, ভোটের মাঠে অভিজ্ঞ। সঙ্কটকালীন সময়ে নির্বাচনে তাকেই বেশি প্রয়োজন।ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা সম নূরুল ইসলাম পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘যিনি বিগত ১০ বছর মাঠে নেই। আন্দোলন-সংগ্রামে নেই। যার নামে ১০ বছরে একটি মামলাও হয়নি, সেই শাহ আলমকে তৃণমূল মেনে নেবে না। হাই-কমান্ডের এটি বোঝা উচিত।’এ বিষয়ে শাহ আলমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।




