233118

৫ বিভাগে বিএনপির মনোনয়নের চিঠি নিলেন যারা

বিএনপিতে স্থায়ী কমিটির সদস্য ছাড়া প্রায় সবগুলো আসনেই একাধিক প্রার্থীকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো আসনে তিন-চারজন করেও চিঠি দেওয়া হয়। ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোকেও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বাক্ষরিত চিঠি দেওয়া হয় গুলশান কার্যালয় থেকে। শুধুমাত্র জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট দলীয়ভাবে মনোনয়নের চিঠি দিচ্ছে। পরে যাচাই-বাছাই করে ধানের শীষ প্রতীকে চূড়ান্ত চিঠি দেওয়া হবে। তবে ধানের শীষ প্রতীকে মূল প্রার্থী জানা যাবে ১০দিন পর।

সোমবার থেকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে এই চিঠি দেওয়া হয়। প্রথমদিনে রংপুর, রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগ এবং চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের আংশিক আসনে দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন চিঠি দেয় বিএনপি। আর মঙ্গলবার অন্য সব বিভাগ ও ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোকেও চিঠি দেওয়া হয়। গুলশান কার্যালয় থেকে জানা যায়, বিএনপির মনোনয়নের চিঠি নেওয়া প্রার্থীর মধ্যে অর্ধশত ছিল নতুন প্রার্থী। এছাড়া ২০ জনের মতো নারী এবং ১০ জন সংখ্যালঘু প্রার্থী।

বিকালে গুলশান কার্যালয় থেকে ঠাকুরগাঁও নিজের নির্বাচনী এলাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা আমাদের দলের থেকে এখন পর্যন্ত ৮’শ মতো মনোনয়ন দিয়েছি। ২০ দলীয় জোটের শরিকদেরও দেওয়া হয়েছে। আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট তাদের নিজ নিজ দল থেকে মনোনয়ন দিচ্ছেন। এটা আমরা পরে যখন বাছাই হয়ে যাবে তখন ঠিক করে নেবো।

২০ দলীয় জোটের শরিকদের কত আসন ছাড়ছেন প্রশ্ন করা হলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এটার সঠিক ফিগার বলতে পারবো না। সম্ভবত এ রাউন্ড ফিফটিন।জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের কেমন আসন ছাড়া হবে জানতে চাইলে ফ্রন্টের মূখপাত্র বলেন, এখন তারা তাদের দল থেকে মনোনয়ন দিচ্ছেন। পরে এটা আলোচনা করে ঠিক করা হবে। ৫ বিভাগে বিএনপির মনোনয়নের চিঠি নিলেন যারা

ঢাকা সিটি ঢাকা-১ আসনে বিএনপির সাবেক নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার মেয়ে অ্যাডভোকেট অন্তরা সেলিমা হুদা ও সায়মা হোসেন বুবলী, ঢাকা-২ আমান উল্লাহ আমান/ ইরফান ইবনে আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও তার পুত্রবধু নিপুন রায় চৌধুরী, ঢাকা-৪ সালাহউদ্দিন আহমেদ ও তার পুত্র তানভীর আহমেদ রবীন, ঢাকা-৫ নবী উল্লাহ নবী ও অধ্যক্ষ সেলিম ভূইয়া, ঢাকা-৬ সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাক হোসেন, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-৯ হাবিব-উন-নবী সোহেল, ঢাকা-১২ যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নিরব, ঢাকা-১৩ আবদুস সালাম ও আতাউর রহমান ঢালী, ঢাকা-১৪ সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক ও এস এ সিদ্দিক সাজু, ঢাকা-১৫ মামুন হাসান, ঢাকা-১৬ আহসান উল্লাহ হাসান ও মোয়াজ্জেম হোসেন, ঢাকা-১৭ মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার ও কামাল জামান মোল্লা, ঢাকা-১৮ যুবদল উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, ঢাকা-১৯ দেওয়ান সালাহউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-২০ ব্যারিস্টার জিয়াউর রহমান।

ঢাকা বিভাগ নারায়ণগঞ্জ-১ অ্যাডভোকেট তৈমুর রহমান আলম খন্দকার, কাজী মনিরুজ্জামন মনির ও মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, নারায়ণগঞ্জ-২ মাহমুদুর রহমান সুমন, আতাউর রহমান খান আঙ্গুর ও নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আজহারুল ইসলাম মান্নান ও খন্দকার আবু জাফর, নারায়ণগঞ্জ-৪ মোহাম্মদ শাহ আলম ও অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।

নরসিংদী-১ খায়রুল কবীর খোকন, নরসিংদী-৩ সানাউল্লাহ মিয়া, নরসিংদী-৪ সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, নরসিংদী-৫ আশরাফ উদ্দিন বকুল/ নেসার উদ্দিন, মুন্সীগঞ্জ-১ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, মুন্সীগঞ্জ-২ মিজানুর রহমান সিনহা, মুন্সীগঞ্জ-৩ আবদুল হাই।গাজীপুর- ১ চৌধুরী তারভীর আহমেদ সিদ্দিকী, গাজীপুর-২ সালাহউদ্দিন সরকার ও মঞ্জুরুল করিম রনি, গাজীপুর-৩ আসনটি জাতীয় ঐক্যফদ্ধন্টের জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছে, গাজীপুর-৪ নিয়াজুল হান্নান শাহ্, গাজীপুর-৫ ফজলুল হক মিলন ও মনির হোসেন।

ফরিদপুর-১ শাহ মো. আবু জাফর ও খন্দকার নাছিরুল ইসলাম, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ ও শহিদুল ইসলাম বাবুল, ফরিদপুর-৩ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ ও নায়েবা ইউসুফ, ফরিদপুর- ৪ ইকবাল হোসেন খন্দকার সেলিম ও শাহরিয়ার ইসলাম শায়লা।গোপালগঞ্জ-২ ডা. এ কে এম বাবর, রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ খৈয়ম, রাজবাড়ী-২ নাসিরুল হক, গোপালগঞ্জ-১ সেলিমুজ্জামান সেলিম, গোপালগঞ্জ-২ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, গোপালগঞ্জ -৩ এস এম জিলানি।মাদারিপুর-১ সাজ্জাদ হোসেন লাভলু সিদ্দিকী, মাদারিপুর-২ মিল্টন বৈদ্য, মাদারিপুর-৩ আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার।

শরিয়তপুর-১ সরদার নাছির উদ্দিন কালু, শরিয়তপুর-২ শফিকুর রহমান কিরন, শরিয়তপুর-৩ মিয়া নুরুদ্দিন অপু।কিশোরগঞ্জ-১ রেজাউল করিম খান চুন্নু, অ্যাডভোকেট মো. শরীফুল ইসলাম শরীফ এবং খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, কিশোরগঞ্জ-২ মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান রঞ্জন, কিশোরগঞ্জ-৩ অ্যাডভোকেট জালাল মোহাম্মদ গাউস, ভিপি সাইফুল ইসলাম সুমন, কিশোরগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান, সুরঞ্জন ঘোষ, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ও তার ছেলে ছেলে মাহমুদুর রহমান উজ্জল, কিশোরগঞ্জ-৬ বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক সভাপতি মো. শরীফুল আলম।

টাঙ্গাইল-১ ফকির মাহবুব আনাম স্বপন ও সরকার শহীদ, টাঙ্গাইল-২ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও শামছুল আলম তোফা, টাঙ্গাইল-৩ মাঈনুল ইসলাম ও লুৎফর রহমান খান আজাদ, টাঙ্গাইল-৪ লুৎফর রহমান মতিন ও ইঞ্জিনিয়ার আবদুল হালিম, টাঙ্গাইল-৫ মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান ও ছাইদুল হক ছাদু, টাঙ্গাইল-৬ অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী ও মোহাম্মদ খান, টাঙ্গাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ও সাইদুল ইসলাম খান, টাঙ্গাইল-৮ আসন এখনো ঘোষণা করা হয়নি। এ আসনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

খুলনা বিভাগ খুলনা-১ আমীর এজাজ খান, খুলনা-২ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল ও শরীফ শাহ কামাল তাজ, খুলনা-৫ ড. মামুন রহমান, ডা. গাজী আবদুল হক, নড়াইল- ১ বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম এবং নড়াইল-২ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপির) চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান।সাতক্ষীরা-১ হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সাতক্ষীরা-৪ কাজী আলাউদ্দিন ও হাবিবুল ইসলাম হাবীব.মেহেরপুর-১ আসনে মাসুদ অরুণ, মেহেরপুর-২ জাবেদ মাসুদ মিল্টন/আমজাদ হোসেন।চুয়াডাঙ্গা-১ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান দুদু ও চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান খান ওরফে বাবু খান।

কুষ্টিয়া-১ রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা ও রমজান আলী, কুষ্টিয়া-২ ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী ও ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া-৩ অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন ও জাকির হোসেন সরকার, কুষ্টিয়া-৪ সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী ও নুরুল ইসলাম আনসার প্রমানিক।ঝিনাইদহ-১ আ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ এবং জয়ন্তু কুমার কুন্ডু, ঝিনাইদহ-২ এস এম মশিউর রহমান এবং এম এ মজিদ, ঝিনাইদহ-৩ আসনে কন্ঠশিল্পী মনির খান ও শহিদুল ইসলাম মাষ্টারের ছেলে মেহেদী হাসান রনি, ঝিনাইদহ-৪ স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও শহীদুজ্জামান বেল্টু।মাগুরা-১ মনোয়ার হোসেন খান, মাগুরা-২ নিতাই রায় চৌধুরী ও মোজাফফর হোসেন টুকু।

যশোর-১ আসনে মফিজুল হাসান তৃপ্তি ও হাসান জহির, যশোর-৩ আসনে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যশোর-৪ টিএস আইরুব ও মতিয়ার রহমান ফারাজী, যশোর-৬ অমলেন্দু দাস অপু, আবুল হোসেন আজাদ ও আবদুস সামাদ বিশ্বাস।বাগেরহাট-১ আসনে শেখ মুজিবুর রহমান ও মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ এম এ সালাম ও আকরাম হোসেন, বাগেরহাট-৩ ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট-৪ খায়রুজ্জামান শিপন ও অধ্যক্ষ আবদুল আলিম (জামায়াত)।

সিলেট বিভাগ সিলেট-১ আসনে ইনাম আহমেদ চৌধুরী ও খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা, সিলেট-৩ শফি আহমদ চৌধুরী ও ব্যারিস্টার এমএ সালাম, সিলেট-৪ দিলদার হোসেন সেলিম ও অ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান জামান, সিলেট-৬ ফয়সল আহমদ চৌধুরী।সুনামগঞ্জ-১ আসনে নজির হোসেন, কামরুজ্জামান কামরুল ও আনিসুল হক, সুনামগঞ্জ-২ নাছির উদ্দিন চৌধুরী ও তাহির রায়হান চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৪ ফজলুল হক আসপিয়া ও দেওয়ান জয়নুল জাকেরিন, সুনামগঞ্জ-৫ কলিম উদ্দিন আহমদ ও মিজানুর রহমান চৌধুরী।মৌলভীবাজার-১ আসনে এবাদুর রহমান চৌধুরী ও নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু, মৌলভীবাজার-২ সুলতান মুহাম্মদ মনসুর (জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট), মৌলভীবাজার-৩ এম নাসের রহমান ও রেজিনা নাসের, মৌলভীবাজার-৪ আসনে মুজিবুর রহমান চৌধুরী ও মুঈদ আশিক চিশতী।হবিগঞ্জ-২ আসনে সাখাওয়াত হোসেন জীবন, হবিগঞ্জ-৩ আসনে জি কে গৌছ।

চট্টগ্রাম বিভাগ চট্টগ্রাম-১ মীরসরাই আসনে নুরুল আমিন, মনিরুল ইসলাম ইউসুফ ও কামাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনে গোলাম আকবর খন্দকার, চট্টগ্রাম-৩ সন্দ্বীপ আসনে মোস্তফা কামাল পাশা ও নুরুল মোস্তাফা, চট্টগ্রাম-৩ রাঙ্গুনিয়া আসনে শওকত আলী নূর, চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুন্ড আসনে আসলাম চৌধুরী ও সাবেক সচিব ও আইজিপি ওয়াই বি সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী আসনে মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, এস এম ফজলুল হক ও ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা, চট্টগ্রাম-৬ রাউজান আসনে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও তার পুত্র সামির কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ রাঙ্গুনিয়া আসনে এলডিপির উত্তর জেলার সভাপতি নুরুল আলম, চট্টগ্রাম-৮ বোয়ালখালী আসনে মোরশেদ খান ও আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম-৯ বাকলিয়া-কোতোয়ালী আসনে ডা. শাহাদাত হোসেন ও শামসুল আলম, চট্টগ্রাম-১০ ডবলমুরিং-পাহাড়তলী-হালিশহর-খুলশী আসনে আবদুল্লাহ আল নোমান ও মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, চট্টগ্রাম-১১ বন্দর-পতেঙ্গা-ডবলমুরিং-ইপিজেড ও সদরঘাট আসনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া আসনে গাজী শাহজাহান জুয়েল ও এনামুল হক এনাম, চট্টগ্রাম-১৩ আনোয়ারা ও কর্ণফুলী আসনে আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান, চট্টগ্রাম-১৪ চন্দনাইশ আসনে এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ, চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া আসনে জামায়াতের সামশুল আলম, চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনে জাফরুল ইসলাম চৌধুরী।

নোয়াখালী-১ ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন/ মামুনুর রশীদ মামুন, নোয়াখালী-২ আসনে জয়নুল আবদিন ফারুক/ কাজী মোহাম্মদ মফিজুর রহমান, নোয়াখালী-৩ বরকত উল্লাহ বুলু/ মাজহারুল ইসলাম দোলন, নোয়াখালী-৪ মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নোয়াখালী-৬ ফজলুল আজিম।লক্ষ্মীপুর-১ শাহাদাত হোসেন সেলিম (এলডিপি), লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভুইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, লক্ষ্মীপুর-৪ আশরাফ উদ্দিন নিজাম ও শফিউল বারী বাবু।

ফেনী-১ আবদুল আউয়াল মিন্টু, ফেনী-২ ভিপি জয়নাল, ফেনী-৩ আবদুল আউয়াল মিন্টু/ আবদুল লতিফ জনি।কক্সবাজার-১ হাসিনা আহমেদ, কক্সবাজার-৩ লুৎফর রহমান কাজল, কক্সবাজার-৪ মো. সালাহ উদ্দিন/ শাহজাহান চৌধুরী।রাঙামাটি : দীপেন দেওয়ান/ মনি স্বপন দেওয়ান, বান্দরবন : সাচিন ক্রু জেরি/ উম্মে কুলসুম সুলতানা।ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ শেখ মোহাম্মদ শামীম মিয়া ও তরুন দে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ তৌহিদুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ মেহেদী হাসান।

চাঁদপুর-১ সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলন ও মোশারফ হোসেন, চাঁদপুর-২ ড. জালালউদ্দিন ও তানভীর হুদা, চাঁদপুর-৩ ফরিদ আহমেদ মানিক ও রাশেদা বেগম হীরা, চাঁদপুর-৪ সাবেক এমপি লায়ন হারুন অর রশীদ ও এম হান্নান, চাঁদপুর-৫ ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক ও এম এ মতিন।কুমিল্লা-৪ সাইদা রফিক, কুমিল্লা-৫ আসনে অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস, কুমিল্লা-৬ হাজী আমিনুর রশীদ ইয়াসিন, কুমিল্লা-৯ আনোয়ারুল আজিম, কুমিল্লা -১০ মোবাশ্বির আলম ভুইয়া।

ময়মনসিংহ বিভাগ ময়মনসিং-১ ইমরান সালেহ প্রিন্স/ শাহ মো. আবু জাফর, ময়মনসিংহ -২ ইয়াসির খান চৌধুরী, শাহ শহীদ সারওয়ার ও আবুল বশর আকন্দ, ময়মনসিংহ -৩ আহমেদ তায়েবুর রহমান, ময়মনসিংহ-৪ ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, ময়মনসিংহ- ৮ আসনে শাহ নূর কবির শাহীন, ময়মনসিংহ-৯ ইয়াসের খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ -১০ মো. আখতারুজ্জামান বাচ্চু ও এবিএম সিদ্দিকুর রহমান।শেরপুর-১ মো. হযরত আলী, শেরপুর-২ একেএম মোখলেসুর রহমান রিপন, শেরপুর-৩ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ও মাহমুদ রুবেল।

জামালপুর-১ রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, জামালপুর- ৩ মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-৪ শামীম তালুকদার, জামালপুর-৫ অ্যাডভোকেট ওয়ারেছ আলী মামুন/ সিরাজুল হক।নেত্রকোনা-১ বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, নেত্রকোনা-২ আশরাফ উদ্দিন ও এটিএম আব্দুল বারী, নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হেলালি, নেত্রকোণা-৫ রাবেয়া খাতুন ও আবু তাহের তালুকদার। গাইবান্ধা-৩ রওশনারা খাতুন ও ডা. সাদিক।

২০ দলীয় জোট ভোলা-১ আসনে বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, নড়াইল-২ এনপিপির ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, নারায়নগঞ্জ-৫ আসনে সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, চট্টগ্রাম- ৫ আসনে কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, চট্টগ্রাম- ১৪ আসনে এলডিপির অলি আহমেদ, কুমিল্লা- ৭ ড. রেদোয়ান আহমেদ, লক্ষীপুর- ১ আসনে সাহাদাত হোসেন সেলিম, সুনামগঞ্জ- ৩ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামীর শাহিনুর পাশা, কুমিল্লা-৬ সৈয়দ মহিউদ্দিন ইকরাম, যশোর-৫ মো. ওয়াক্কাস, খুলনা-৪ রেজাউল করীম, পিরোজপুর-২ আসনে লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, পিরোজপুর-১ আসনে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, গাইবান্ধা-৩ টিআই ফজলে রাব্বী, চাঁদপুর-৩ এস এম এম আলম, কুষ্টিয়া- ২ আহসান হাবিব লিংকন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া- ৪ সেলিম মাস্টার ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়নের জন্য প্রত্যয়নের চিঠি নিয়ে গেছেন।

ad

পাঠকের মতামত