233103

কামাল বনাম ফখরুল!

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে চলছে স্নায়ুযুদ্ধ। আসন ভাগাভাগি নিয়ে সরকারবিরোধী শিবিরে দেখা দিয়েছে মতপার্থক্য। আসন বন্টন নিয়ে শরিকদের মধ্যে একধরনের অনৈক্য দেখা দিয়েছে। গণমাধ্যমে পরিস্কার করে কেউ কিছু না বললেও আকার ইঙ্গিতে তেমনটাই বুঝা যাচ্ছে।এর মধ্যে বিএনপি তার নেতাদেরকে মনোনয়নের চিঠি দিচ্ছে। আর ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা ড. কামাল বলেন, ‘এখন দলীয়ভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হচ্ছে, পরবর্তী সময় আলোচনা সাপেক্ষে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।’

‘দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে। এটা জোটগতভাবে হচ্ছে না। আলাদা আলাদা হচ্ছে। পরে বসে এগুলোকে সমন্বয় করা যাবে। সময় স্বল্পতার জন্য এখন দলীয়ভাবে হচ্ছে। তবে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আগেই সব ঠিক হয়ে যাবে।’গণফোরাম এর আগে শতাধিক আসন চাইলেও এখন সেটি কমানো হয়েছে বলে জানান ড. কামাল। বলেন, ‘আমরা গণফোরাম ৩০-৪০টি আসন চেয়েছি। তার মধ্যে ঢাকাতে দুটি আসন থাকতে হবে।’ তবে কোন দুটি আসন সেটি নিশ্চিত করেননি ঐক্যফ্রন্ট নেতা।

মঙ্গলবার বেইলি রোডের বাসায় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন গণফোরামের এই নেতা।ড. কামালের এই কথার প্রায় ৩ ঘন্টা পর শরিকদের মধ্যে কে কতগুলো আসনে পাচ্ছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে ২০ দল এবং ঐক্যফ্রন্টকে মিলিয়ে ৬০টির বেশি আসন দেওয়া হবে না। আলোচনা করে এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এছাড়া ফখরুল বলেন, ‘আসন ভাগাভাগি নিয়ে গণফোরামের সাথে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। যে দলের প্রার্থী যোগ্য সেই দলের প্রার্থীর জন্য ছাড় দেয়া হবে। আমাদের প্রার্থী যোগ্য হলে ওদের বলব ছাড় দিতে। আমরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছি। ঐক্যবদ্ধভাবেই আগামী নির্বাচনে লড়ব।’তবে রাজনীতিবিদরা বলছেন, ঐক্যফ্রন্টের সাথে বিএনপির আসন ভাগাভাগির গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ড. কামালের গণফোরামকে শেষ পর্যন্ত কত আসন ছাড় দিবে। এনিয়ে সাংবাদিকদের কিছু না বললেও ঐক্যের মধ্যে স্নায়ুযুদ্ধ চলছে বলেও জানান তারা।

ad

পাঠকের মতামত