খুলনা বিভাগে নৌকায় কারা, বাদ পড়লেন যারা
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ রোববার থেকে সারা দেশে তাদের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র হস্তান্তর করছে। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রার্থীদের এ চিঠি দেয়া হচ্ছে। আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এসব নেতারা নৌকা প্রতীক নিয়ে লড়বেন।খুলনা বিভাগ ৩৬টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত। রোববার শরিকদের জন্য কিছু বাদ রেখে বেশিরভাগ আসনেই নৌকার প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এতে বর্তমানে এমপি ছিলেন, এমন বেশ কয়েকজন বাদ পড়েছেন। সেখানে নতুন মুখ দেয়া হয়েছে। নিচে এগুলো দেয়া হলো—
মেহেরপুর-১: ফরহাদ হোসেন দোদুল। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।মেহেরপুর-২: শামসুজ্জামান খোকন। এখানে আওয়ামী লীগ নেতা মো. মকবুল হোসেন স্বতন্ত্র হিসেবে গতবার নির্বাচিত হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও তাকে তালিকায় রাখা হয়নি।কুষ্টিয়া-১: মো. রেজাউল হক চৌধুরী গতবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত এখানে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি।
কুষ্টিয়া-২: এখানে শরিক জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনুর জন্য আওয়ামী লীগ কোনো প্রার্থী দেয়নি।কুষ্টিয়া-৩: মাহবুবউল আলম হানিফ। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।কুষ্টিয়া-৪: সেলিম আলতাফ জর্জ। গতবার এখানে দল থেকে আবদুর রউফ নির্বাচিত হয়েছিলেন।চুয়াডাঙ্গা-১: সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।চুয়াডাঙ্গা-২: আলী আজগর টগর। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।ঝিনাইদহ-১: (শৈলকুপা) আব্দুল হাই। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।
ঝিনাইদহ-২: (হরিণাকুণ্ডু-সদরের আংশিক) তাহজীব আলম সিদ্দিকী স্বতন্ত্র হিসেবে বিজয়ী হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ নেতা নূরে আলম সিদ্দিকীর এই ছেলেকে এবার নৌকার প্রার্থী করা হয়েছে।ঝিনাইদহ-৩: (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) শফিকুল আজম খান চঞ্চল। এখানে গতবার আওয়ামী লীগ নেতা নবী নেওয়াজ বিজয়ী হয়েছিলেন। তাকে বাদ দেয়া হয়েছে।ঝিনাইদহ-৪: (কালীগঞ্জ-সদরের আংশিক) আনোয়ারুল আজীম আনার। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।যশোর-১: শেখ আফিল উদ্দিন। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।
যশোর-২: মেজর জেনারেল (অব.) ডা. নাসির উদ্দিন। গতবারের বিজয়ী মনিরুল ইসলামকে এবার বাদ দেয়া হয়েছে।যশোর-৩: কাজী নাবিল আহমেদ। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।যশোর-৪: রণজিৎ কুমার রায়। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।যশোর-৫: স্বপন ভট্টাচার্য। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।যশোর-৬: ইসমাত আরা সাদেক। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।মাগুরা-১: সাইফুজ্জামান শিখর। এখানে গতবার এ টি এম আব্দুল ওয়াহাব বিজয়ী হয়েছিলেন। তাকে বাদ দিয়ে নতুন মুখ হিসেবে আনা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত সহকারী সচিব শিখরকে।
মাগুরা-২: বীরেন শিকদার। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।নড়াইল-১: এখন পর্যন্ত এখানে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। গতবার মো. কবিরুল হক বিজয়ী হয়েছিলেন।নড়াইল-২: মাশরাফি বিন মোর্ত্তুজা। বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের এই অধিনায়ক এবার চমক হিসেবেই এসেছেন। এখানে গতবার বিজয়ী হয়েছিলেন শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির শেখ হাফিজুর রহমান।বাগেরহাট-১: শেখ হেলাল উদ্দিন। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।বাগেরহাট-২: শেখ তন্ময়। নতুন মুখ হিসেবে তাকে আনা হয়েছে। গতবার এখানে দল থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন মীর শওকত আলী বাদশা।
বাগেরহাট-৩: হাবিবুন্নাহার। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।বাগেরহাট-৪: এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে গতবার দল থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন মো. মোজাম্মেল হোসেন।খুলনা-১: পঞ্চানন বিশ্বাস। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।খুলনা-২: শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল। নতুন মুখ হিসেবে এসেছেন। গতবার এখানে দল থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।খুলনা-৩: বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।খুলনা-৪: আব্দুস সালাম মুর্শেদী। এসএম মোস্তফা রশিদী সুজার মৃত্যুর পর উপ-নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হন। এবারও তাকেই প্রার্থী করা হয়েছে।
খুলনা-৫: নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।খুলনা-৬: আকতারুজ্জামান বাবু। গতবার এখানে দল থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন শেখ মো. নূরুল হক।সাতক্ষীরা-১: আসনে এখনও ঘোষণা দেয়া হয়নি। সম্ভবত শরিক ওয়ার্কার্স পার্টির জন্য এই আসন রেখেছে আওয়ামী লীগ। গতবারও এখান থেকে ওয়ার্কার্স পার্টির মুস্তফা লুৎফুল্লাহ নির্বাচিত হয়েছিলেন।সাতক্ষীরা-২: মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।সাতক্ষীরা-৩: অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।সাতক্ষীরা-৪: এসএম জগলুল হায়দার। গতবারও তিনিই দলের প্রার্থী ছিলেন।




