‘খালেদা ও তারেকের ছবি ব্যবহারে বাধা নেই’
নির্বাচনী ব্যানার-পোস্টারে বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি ব্যবহার করা যাবে। এটা রাজনৈতিক দলের নিজস্ব ব্যাপার বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ।সোমবার বিকেল আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে প্রেস বিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।ইসি সচিব বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেয়ার বিষয়টি আচরণ বিধির মধ্যে পড়ে না বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী রোববার তারেক রহমানকে নিয়ে যে অভিযোগ নিয়ে গেছেন সেটা নিয়ে ইসি সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। অনলাইনে মনোনয়ন সাক্ষাৎকার গ্রহণ করছেন তারেক রহমান। আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী তিনি দেশে নাই, তাই আচরণ বিধিমালা উনার জন্য প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু যেহেতু হাইকোর্টের একটি নির্দেশনা রয়েছে, সেই নির্দেশনা পালন করা সকলের দায়িত্ব।’এর আগে সোমবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বৈঠকে বসে কমিশন। বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনর (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে অন্যান্য কমিশনারসহ ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির গ্রেফতার করা নেতাকর্মীদের তালিকা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সেই তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে যে, মূলত তফসিল ঘোষণার আগেই কিছু কিছু মামলা হয়েছে। কিছু কিছু নেতাকর্মীর নাম রয়েছে। নির্বাচন কমিশন মনে করে পূর্ববর্তী ঘটনার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।’তফসিল ঘোষণার পরও নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করার বিষয়ে ইসি সচিব বলেন, ‘৮ তারিখের পরে গ্রেফতারের যে তালিকা দেয়া হয়েছে সেখানে সুনির্দিষ্ট কার কি বিষয় রয়েছে সেটা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মনে হয়েছে সেই ঘটনাগুলোও পূর্ণাঙ্গ বর্ণনা না করায় এ বিষয়ে কমিশন কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি।’
এদিকে দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ায় তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষাৎকার নেয়ার বিষয়টি আদালত অবমাননা বলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) লিখিত অভিযোগ করে আওয়ামী লীগ।আওয়ামী লীগ দাবি করে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা আছে যে তারেক রহমানের কোনো বক্তব্য কোনো প্রচারমাধ্যমে প্রচার করা যাবে না। সুতরাং তারেকের এই কাজ সর্বোচ্চ আদালতে আদেশ লঙ্ঘন এবং আদালত অবমাননার সামিল।তবে আওয়ামী লীগের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ও ইসি নিজেরাই আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন। আমাদের দলের সাক্ষাৎকার কিভাবে নেব এটা আমাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।




