বিএনপির শুরু ১৮, শেষ ২১
বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামী ১৮ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। বিভাগভিত্তিক চারদিন ধরে চলবে এই সাক্ষাৎকার পর্ব। সাক্ষাৎকারের সময় মহানগর, জেলা, উপজেলার সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতিকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।সাক্ষাতকার নেয়া হবে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে। শুক্রবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিভাগ অনুযায়ী বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকারের তারিখ ও সময়সূচি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো: ১৮ নভেম্বর (রোববার) রংপুর বিভাগ, সকাল ৯টা থেকে বেলা দেড়টা এবং রাজশাহী বিভাগ, বেলা আড়াইটা থেকে। ১৯ নভেম্বর (সোমবার) বরিশাল বিভাগ, সকাল ৯টা থেকে বেলা দেড়টা এবং খুলনা বিভাগ, বেলা আড়াইটা থেকে। ২০ নভেম্বর (মঙ্গলবার) চট্টগ্রাম বিভাগ, সকাল ৯টা থেকে বেলা দেড়টা, কুমিল্লা ও সিলেট বিভাগ, বেলা আড়াইটা থেকে। ২১ নভেম্বর ময়মনসিংহ ও ফরিদপুর বিভাগ, সকাল ৯টা থেকে বেলা দেড়টা এবং ঢাকা বিভাগ, বেলা আড়াইটা থেকে।
এর আগে ১২ নভেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে বিএনপি। ওই দিন বেলা পৌনে ১১টার দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়।বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য ফেনী-১ আসনের মনোনয়ন ফরম কেনার মধ্য দিয়ে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির উদ্বোধন করা হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে তার মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আওয়াল মিন্টু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। পরে বগুড়া–৬ আসনের জন্য খালেদা জিয়ার পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন নজরুল ইসলাম খান। খালেদা জিয়ার পক্ষে বগুড়া-৭ আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
বিএনপির দপ্তর থেকে জানানো হয়, খালেদা জিয়ার জন্য মোট তিনটি আসনের মনোনয়ন ফরম কেনা হবে। ফেনী-১ আসনের জন্য কেনা হয়েছে। এ ছাড়া বগুড়া–৬ ও ৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি।প্রতিটি ফরমের দাম পাঁচ হাজার টাকা। জমা দেওয়ার সময় দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ, কেনা ও জমা মিলিয়ে প্রতিটি ফরমের দাম পড়বে ৩০ হাজার টাকা।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডাদেশ দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫। এরপর খালেদা জিয়াকে নাজিমুদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। গত ৩০ অক্টোবর এই মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট। কারাবন্দী থাকায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় রয়েছে।




