227081

‘জবাবদিহির’ নামে ১৫ হাজার লোকের ভূরিভোজ!

২৮ মণ চাল, ১৮ মণ গরুর মাংস, সাড়ে তিন মণ খাসির মাংস আর ৯ মণ বুটের সঙ্গে তিন মণ মাছ দিয়ে মুড়িঘণ্ট দিয়ে ১৫ হাজার মানুষের নৈশভোজের আয়োজন! জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার রুকিন্দীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এই ভূরিভোজের আয়োজক। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী অবসর। গত সোমবার রাতে উপজেলার ভাণ্ডারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জয়পুরহাট-২ আসনের এমপি আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপনের জবাবদিহি অনুষ্ঠানের পর এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রুকিন্দীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন।

দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী প্রস্তুতি পুরোদমে নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জয়পুরহাট-২ আসনের এমপি আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন তাঁর নির্বাচনী এলাকা কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গিয়ে উঠান বৈঠক করে এলাকার লোকজনের সমস্যা এবং তাঁর সময় বর্তমান সরকারের দৃশ্যমান উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন। কয়েক দিন ধরে এমপি স্বপন আক্কেলপুরের বিভিন্ন ইউনিয়নে সরাসরি জনগণের সঙ্গে জবাবদিহিমূলক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। গত সোমবার রাতে উপজেলার ভাণ্ডারীপাড়া গ্রামে জবাবদিহি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া লোকজনের সামনে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মঞ্চে আসেন আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। তিনি টানা প্রায় দুই ঘণ্টা দলের তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ লোকজনের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি রাত সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠান শেষ করে যাওয়ার পর শুরু হয় ‘নৈশভোজ’।

রুকিন্দীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে এমপির জবাবদিহি অনুষ্ঠানের পর এ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছিল। আমরা নিজেরাই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি।’ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা বাচ্চু সরদার বলেন, ‘আমাদের ইউনিয়নে এর আগে কখনো এত বড় দলীয় কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি। এমপির জবাবদিহি অনুষ্ঠানে এসে প্রায় ১৫ হাজার লোকজন খাওয়া-দাওয়া করেছে।

আক্কেলপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র গোলাম মাহফুজ চৌধুরী বলেন, ‘আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ভাই আক্কেলপুর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছিলেন।’এমপি আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন জবাবদিহি অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর নিজেকে সব সময় জনগণের চাকর ভেবেছি। আমার সৎসাহস আছে বলেই আমার নির্বাচনী এলাকার তিনটি উপজেলার জনগণের মুখোমুখি হয়েছি।’ সূত্র:কালের কণ্ঠ

ad

পাঠকের মতামত